ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৩ ডিসেম্বর: নীলফামারী হানাদার মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 69

১৩ ডিসেম্বর: নীলফামারী হানাদার মুক্ত দিবস

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৩ ডিসেম্বর নীলফামারীবাসীর জন্য এক গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে, দেশের স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র তিন দিন আগে, পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় উত্তরের জেলা নীলফামারী

দীর্ঘ নয় মাস ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাগাতার গেরিলা আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পাক বাহিনী। ১২ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে নীলফামারী শহরের দিকে অগ্রসর হলে পাক সেনারা পিছু হটে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়। পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করেন এবং নীলফামারী সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত হয়।

শহর মুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শান্তিকামী মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে একটি বাঁশের খুঁটিতে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।

টানা নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নীলফামারী শহর মুক্ত করতে গিয়ে ক্যাপ্টেন বাশার, আলী হোসেন, আহমেদুল হক প্রধান, আনজারুল হক ধীরাজ, জাহেরুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, মিজানুর রহমান, মির্জা হাবিবুর রহমান বেগসহ মোট ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে নীলফামারীতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৩ ডিসেম্বর: নীলফামারী হানাদার মুক্ত দিবস

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৩ ডিসেম্বর নীলফামারীবাসীর জন্য এক গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে, দেশের স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র তিন দিন আগে, পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় উত্তরের জেলা নীলফামারী

দীর্ঘ নয় মাস ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাগাতার গেরিলা আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পাক বাহিনী। ১২ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে নীলফামারী শহরের দিকে অগ্রসর হলে পাক সেনারা পিছু হটে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়। পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করেন এবং নীলফামারী সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত হয়।

শহর মুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শান্তিকামী মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে একটি বাঁশের খুঁটিতে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।

টানা নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নীলফামারী শহর মুক্ত করতে গিয়ে ক্যাপ্টেন বাশার, আলী হোসেন, আহমেদুল হক প্রধান, আনজারুল হক ধীরাজ, জাহেরুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, মিজানুর রহমান, মির্জা হাবিবুর রহমান বেগসহ মোট ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে নীলফামারীতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন।