ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

হাসিনা-জয়-পুতুলের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • / 94

হাসিনা-জয়-পুতুল

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এ সংক্রান্ত আদেশ দেন। আদালত একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দেন।

দুদকের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম। তিনি জানান, চার্জগঠন শেষে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তিনটি পৃথক মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২ জন, জয়সহ ১৭ জন এবং পুতুলসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মূল অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাজনক স্থানে রাজউকের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানে উঠে আসে।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের তারিখ আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছে। পুলিশকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

এ মামলায় আসামিপক্ষ এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

হাসিনা-জয়-পুতুলের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এ সংক্রান্ত আদেশ দেন। আদালত একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দেন।

দুদকের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম। তিনি জানান, চার্জগঠন শেষে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তিনটি পৃথক মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২ জন, জয়সহ ১৭ জন এবং পুতুলসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মূল অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাজনক স্থানে রাজউকের প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানে উঠে আসে।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের তারিখ আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছে। পুলিশকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

এ মামলায় আসামিপক্ষ এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।