হাসনাতের পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়েছে দুদক
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
- / 185
জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালকসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অভিযোগ তুলেছেন। তার এই পোস্টকে “মানহানিকর” আখ্যা দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ যাচাই-বাছাই ছাড়া একটি পোস্টে কমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা দৃষ্টিগোচর হয়েছে।”
দুদক জানিয়েছে, একটি প্রতারক চক্র কমিশনের চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক বা কর্মকর্তার পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। সংস্থাটির ভাষায়, “এদের সঙ্গে দুদকের প্রকৃত কর্মকর্তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিছু প্রতারক গ্রেপ্তারও হয়েছে।”
প্রতারণার বিষয়ে আগেও গণমাধ্যমে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল বলে জানায় দুদক। তারা বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়ী না জেনে দুদককে দায়ী করা সংস্থার ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
দুদক অনুরোধ করেছে, যদি কেউ ফোন, বার্তা বা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে টাকার দাবির সম্মুখীন হন, তবে ১০৬ নম্বর টোল-ফ্রি হটলাইনে, নিকটস্থ দুদক কার্যালয়ে অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লেখেন, “স্বাধীন বাংলাদেশে দুদকের চা খাওয়ার বিল ১ লাখ টাকা। কোনো অভিযোগ না থাকলেও ক্লিয়ারেন্স নিতে ১ লাখ টাকা চাওয়া হয়। সম্প্রতি ডাক্তার মাহমুদা মিতুর কাছ থেকেও এ অর্থ চাওয়া হয়, দুদকের ডিজি আকতার ও তার ডিডি পরিচয়ে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “অস্বীকৃতি জানালে আবার ফোন করে টাকা না দিলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। দুদক আওয়ামী আমলের দুর্নীতি তদন্তের নামে এখনকার মানুষদের হেনস্তা করছে।”
হাসনাত আরও লেখেন, “দুদক অতীতে বিরোধী নেতাদের হয়রানি করেছে, আওয়ামী দুর্নীতি নিয়ে চুপ থেকেছে। আমরা নতুন বাংলাদেশ চেয়েছিলাম, কিন্তু পুরনো পথেই হাঁটছে দুদক। আমরা এর বিচার চাই। দেশের মানুষ কি এক লাখ টাকার চায়ের বিল দেওয়ার জন্যই জীবন দিয়েছিল?”
































