ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাতকড়া নিয়ে মাদক কারবারি পগার পার

নিজস্ব প্রতিবেদক, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • / 320

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আটক করা হয়

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ আটক হওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে এক মাদক কারবারি। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়ে দুইজন হাসপালে ভর্তি রয়েছে।

পলাতক অভিযুক্তের নাম রিয়াজ ফকির। তিনি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী ফকিরবাড়ি গ্রামের দিনমজুর ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পর সারারাত অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোড়ে উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকা হতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে মামালা দায়ের করা হয়।

আগৈলঝাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত ১০টার দিকে মাদক বেচাকেনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশারের আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের উত্তর পাশে আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালায় আগৈলঝাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ মামুন হোসেন ও কনস্টেবল কামাল হোসেন ও সাইমুন আল সাকিব। অভিযানে ১৬ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী ফকিরবাড়ি গ্রামের দিনমজুর ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে।

মাদককারবারির হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা
মাদককারবারির হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা

ঘটনার পর আহত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিকভাবে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কনস্টেবল কামাল হোসেন ও সাইমুন আল সাকিবকে ভর্তি করা হয় এবং এএসআই মামুন হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর পুরো রাত অভিযান চালিয়ে হাতকড়াসহ শুক্রবার ভোড়ে উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকা রিয়াজকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এর পূর্বেও অভিযুক্ত রিয়াজের বিরুদ্ধে চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি একটি চিহ্নিত মাদক চক্রের সদস্য বলে জানায় পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায় , আটকের পর রিয়াজের দুই হাতে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলতে গেলে সে হঠাৎ কনস্টেবল কামাল হোসেনের গোপনাঙ্গে লাথি মেরে ও কনস্টেবল সাইমুন আল সাকিবের বুকে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে গিয়ে আহত হন এএসআই মামুন হোসেনও।

আর অভিযুক্তের বাবা ছিদ্দিক ফকির জানায়, অভিযুক্ত রিয়াজ মাদকসেবী। মাদক সেবনে বাধা দিলে উল্টো তার উপরই ক্ষিপ্ত হয় ছেরে রিয়াজ। বার বার বাঁধা দিয়েও তাকে এ পথ থেকে ফেরাতে পারেননি।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শিশির কুমার গাইন জানায়, আহত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিকভাবে কনস্টেবল কামাল ও কনস্টেবল সাইমুনকে ভর্তি করা হয়েছে। এএসআই মামুন হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাতকড়া নিয়ে মাদক কারবারি পগার পার

সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ আটক হওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে এক মাদক কারবারি। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়ে দুইজন হাসপালে ভর্তি রয়েছে।

পলাতক অভিযুক্তের নাম রিয়াজ ফকির। তিনি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী ফকিরবাড়ি গ্রামের দিনমজুর ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পর সারারাত অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোড়ে উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকা হতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে মামালা দায়ের করা হয়।

আগৈলঝাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত ১০টার দিকে মাদক বেচাকেনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশারের আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের উত্তর পাশে আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালায় আগৈলঝাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ মামুন হোসেন ও কনস্টেবল কামাল হোসেন ও সাইমুন আল সাকিব। অভিযানে ১৬ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী ফকিরবাড়ি গ্রামের দিনমজুর ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে।

মাদককারবারির হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা
মাদককারবারির হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা

ঘটনার পর আহত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিকভাবে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কনস্টেবল কামাল হোসেন ও সাইমুন আল সাকিবকে ভর্তি করা হয় এবং এএসআই মামুন হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর পুরো রাত অভিযান চালিয়ে হাতকড়াসহ শুক্রবার ভোড়ে উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকা রিয়াজকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এর পূর্বেও অভিযুক্ত রিয়াজের বিরুদ্ধে চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি একটি চিহ্নিত মাদক চক্রের সদস্য বলে জানায় পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায় , আটকের পর রিয়াজের দুই হাতে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলতে গেলে সে হঠাৎ কনস্টেবল কামাল হোসেনের গোপনাঙ্গে লাথি মেরে ও কনস্টেবল সাইমুন আল সাকিবের বুকে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে গিয়ে আহত হন এএসআই মামুন হোসেনও।

আর অভিযুক্তের বাবা ছিদ্দিক ফকির জানায়, অভিযুক্ত রিয়াজ মাদকসেবী। মাদক সেবনে বাধা দিলে উল্টো তার উপরই ক্ষিপ্ত হয় ছেরে রিয়াজ। বার বার বাঁধা দিয়েও তাকে এ পথ থেকে ফেরাতে পারেননি।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শিশির কুমার গাইন জানায়, আহত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিকভাবে কনস্টেবল কামাল ও কনস্টেবল সাইমুনকে ভর্তি করা হয়েছে। এএসআই মামুন হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।