ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্যার সম্বোধনের নামে নারী অবমাননার অবসান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 237

ড. ইউনূস-শেখ হাসিনা

নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ সম্বোধন করার বাধ্যবাধকতা অবশেষে বাতিল করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক বিতর্কিত প্রশাসনিক প্রোটোকলের অবসান হলো, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে চালু ছিল। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরে নারী মন্ত্রী, সচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলা হচ্ছিল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাধ্যতামূলকভাবে চর্চা করা হতো। এতে সমাজে বিভ্রান্তি ও প্রশাসনিক অস্বস্তির জন্ম দিচ্ছিল বলেই অভিযোগ উঠে। সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এটি ছিল অদ্ভুত ও বিতর্কিত এক রেওয়াজ, যা প্রশাসনিকভাবে বেমানান ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।”

এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি হাসিনা সরকারের সময় চালু হওয়া প্রটোকল নির্দেশনাগুলোর পূর্ণ পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য গঠিত হয়েছে একটি বিশেষ কমিটি, যার নেতৃত্বে রয়েছেন উপদেষ্টা ফওজুল কবির ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এক মাসের মধ্যে তাঁরা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলোর মূল্যায়ন করে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে সুপারিশ জমা দেবেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সম্বোধন ও প্রটোকল কোনো ব্যক্তির মর্যাদার প্রশ্ন নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের অংশ। নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলার রেওয়াজ অনেকের কাছেই অবমাননাকর ও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে দীর্ঘদিন। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে দেখছেন প্রশাসনিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্যার সম্বোধনের নামে নারী অবমাননার অবসান

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ সম্বোধন করার বাধ্যবাধকতা অবশেষে বাতিল করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক বিতর্কিত প্রশাসনিক প্রোটোকলের অবসান হলো, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে চালু ছিল। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরে নারী মন্ত্রী, সচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলা হচ্ছিল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাধ্যতামূলকভাবে চর্চা করা হতো। এতে সমাজে বিভ্রান্তি ও প্রশাসনিক অস্বস্তির জন্ম দিচ্ছিল বলেই অভিযোগ উঠে। সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এটি ছিল অদ্ভুত ও বিতর্কিত এক রেওয়াজ, যা প্রশাসনিকভাবে বেমানান ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।”

এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি হাসিনা সরকারের সময় চালু হওয়া প্রটোকল নির্দেশনাগুলোর পূর্ণ পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য গঠিত হয়েছে একটি বিশেষ কমিটি, যার নেতৃত্বে রয়েছেন উপদেষ্টা ফওজুল কবির ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এক মাসের মধ্যে তাঁরা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলোর মূল্যায়ন করে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে সুপারিশ জমা দেবেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সম্বোধন ও প্রটোকল কোনো ব্যক্তির মর্যাদার প্রশ্ন নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের অংশ। নারী কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলার রেওয়াজ অনেকের কাছেই অবমাননাকর ও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে দীর্ঘদিন। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে দেখছেন প্রশাসনিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে।