ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 128

মোহাম্মদ বিন সালমান ও শেহবাহ শরীফ

সৌদি আরব এবং পারমাণবিক সক্ষম পাকিস্তান বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) একটি ঐতিহাসিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ঘোষণা দিয়েছে।

বলা হয়েছে, যদি কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হয়, তবে সেটিকে অপর দেশের বিরুদ্ধেও আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে। ফলে উভয় দেশই একে অপরের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে।

সৌদি আরবের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তি “বিশেষ কোনো দেশ বা পরিস্থিতিকে লক্ষ্য করে নয়”, বরং এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ককে আরও আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় রূপ দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গাজা পরিস্থিতি, কাতার ইস্যু এবং ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমন সময়ে সৌদি ও পাকিস্তানের এ ধরনের চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

প্রভাব ও বিশ্লেষণ

  • এই প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

  • আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোও এ চুক্তির দিকে গভীর নজর রাখবে।

চুক্তিটি কার্যকর হলে সৌদি আরব ও পাকিস্তান কেবল কূটনৈতিক নয়, সামরিকভাবেও একে অপরের কৌশলগত অংশীদার হয়ে উঠবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সৌদি আরব এবং পারমাণবিক সক্ষম পাকিস্তান বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) একটি ঐতিহাসিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ঘোষণা দিয়েছে।

বলা হয়েছে, যদি কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হয়, তবে সেটিকে অপর দেশের বিরুদ্ধেও আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে। ফলে উভয় দেশই একে অপরের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে।

সৌদি আরবের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তি “বিশেষ কোনো দেশ বা পরিস্থিতিকে লক্ষ্য করে নয়”, বরং এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ককে আরও আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় রূপ দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গাজা পরিস্থিতি, কাতার ইস্যু এবং ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমন সময়ে সৌদি ও পাকিস্তানের এ ধরনের চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

প্রভাব ও বিশ্লেষণ

  • এই প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

  • আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোও এ চুক্তির দিকে গভীর নজর রাখবে।

চুক্তিটি কার্যকর হলে সৌদি আরব ও পাকিস্তান কেবল কূটনৈতিক নয়, সামরিকভাবেও একে অপরের কৌশলগত অংশীদার হয়ে উঠবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।