ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিন নিয়ে মাস্টারপ্ল্যানের চিন্তাভাবনা চলছে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / 167

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং এর সংরক্ষণের জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পরিকল্পনা চলছে। সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন নিয়ে কোনো আশঙ্কার কারণ নেই, দ্বীপটিকে বাঁচানো গেলে সব উদ্বেগ দূর হবে।

বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে নানা কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশের শপিং সেন্টারগুলো শতভাগ পলিথিনমুক্ত হয়েছে। তবে কাঁচাবাজারগুলোতে পলিথিনের ব্যবহার এখনও রয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় পাটের ব্যাগ উৎপাদন ও সুলভ মূল্যে সরবরাহ করবে।

১৭টি পণ্যকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে কটন বাড ও স্ট্র ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ হয়েছে। শিগগিরই এসব পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

এ সময় তিনি দেশের মব জাস্টিসের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, মব জাস্টিসের ঘটনা চলতে দেওয়া যাবে না এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি আদর্শ পরিবেশে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেনি, তবে বর্তমানে পুলিশ অনেক জায়গায় সক্রিয় হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর কার্যক্রম আরো জোরদার হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সেন্টমার্টিন নিয়ে মাস্টারপ্ল্যানের চিন্তাভাবনা চলছে

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং এর সংরক্ষণের জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পরিকল্পনা চলছে। সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন নিয়ে কোনো আশঙ্কার কারণ নেই, দ্বীপটিকে বাঁচানো গেলে সব উদ্বেগ দূর হবে।

বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে নানা কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশের শপিং সেন্টারগুলো শতভাগ পলিথিনমুক্ত হয়েছে। তবে কাঁচাবাজারগুলোতে পলিথিনের ব্যবহার এখনও রয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় পাটের ব্যাগ উৎপাদন ও সুলভ মূল্যে সরবরাহ করবে।

১৭টি পণ্যকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে কটন বাড ও স্ট্র ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ হয়েছে। শিগগিরই এসব পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

এ সময় তিনি দেশের মব জাস্টিসের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, মব জাস্টিসের ঘটনা চলতে দেওয়া যাবে না এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি আদর্শ পরিবেশে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেনি, তবে বর্তমানে পুলিশ অনেক জায়গায় সক্রিয় হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর কার্যক্রম আরো জোরদার হবে।’