ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 68

সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু মারা গেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সেনা হেফাজতে তিনি মারা যান। বর্তমানে তার লাশ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর দাবি, ডাবলুর কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে জড়ো হওয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বলেন, রাত ১০টায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে তাকে আটক করে নেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।

উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন অভিযোগ করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে তাদের চার ভাইকে নির্যাতন করা হয়েছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।

এ অভিযোগের বিষয়ে সেনাবাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজিএমইএর সভাপতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু উপস্থিত নেতাকর্মীদের শান্ত হতে বলেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে নিতে নিষেধ করেন। তিনি আরও বলেন, নিহত ডাবলুর পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে।

উল্লেখ্য, সকাল ৯টা পর্যন্ত লাশ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে সেনাবাহিনীর পাহারায় ছিল। বাইরে শত শত স্থানীয় জনগণ রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে রাত থেকে বিক্ষোভ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু মারা গেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সেনা হেফাজতে তিনি মারা যান। বর্তমানে তার লাশ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর দাবি, ডাবলুর কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে জড়ো হওয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বলেন, রাত ১০টায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে তাকে আটক করে নেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।

উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন অভিযোগ করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে তাদের চার ভাইকে নির্যাতন করা হয়েছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।

এ অভিযোগের বিষয়ে সেনাবাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজিএমইএর সভাপতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু উপস্থিত নেতাকর্মীদের শান্ত হতে বলেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে নিতে নিষেধ করেন। তিনি আরও বলেন, নিহত ডাবলুর পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে।

উল্লেখ্য, সকাল ৯টা পর্যন্ত লাশ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে সেনাবাহিনীর পাহারায় ছিল। বাইরে শত শত স্থানীয় জনগণ রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে রাত থেকে বিক্ষোভ করেছেন।