ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

সূর্যের কাছ থেকে ফিরে এলো সোনালি ধূমকেতু

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 117

সূর্যের কাছ থেকে ফিরে এলো সোনালি ধূমকেতু

আকাশে দেখা যাচ্ছে বিরল এক সোনালি ধূমকেতু। সূর্যের কাছ দিয়ে অতিক্রম করার পরও এটি অক্ষতভাবে ফিরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আকাশ পর্যবেক্ষকরা এই চমকপ্রদ দৃশ্য উপভোগ করছেন।

ধূমকেতুটির নাম C/2025 K1 (ATLAS)। এটি মহাকাশের এক দূরবর্তী অঞ্চল ওর্ট মেঘ থেকে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে অ্যাস্টেরয়েড টেরেস্ট্রিয়াল-ইমপ্যাক্ট লাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেম (ATLAS) টেলিস্কোপ প্রথম এটি শনাক্ত করে।

সাধারণত বেশিরভাগ ধূমকেতু সূর্যের আলোয় সবুজ বা নীল আভায় ঝলমল করে, কারণ তাদের রাসায়নিক উপাদান ভিন্ন। কিন্তু এই ধূমকেতুটি সোনালি ও বাদামি রঙে ঝলক দিচ্ছে—যা অত্যন্ত বিরল একটি বৈশিষ্ট্য।

ক্যালিফোর্নিয়ার জ্যোতির্বিদ ড্যান বার্টলেট জানান, ৮ অক্টোবর ধূমকেতুটি সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান (পেরিহেলিয়ন) অতিক্রম করে। তখন বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, এটি ভেঙে যাবে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ধূমকেতুটি অক্ষত থেকে যায় এবং এখন আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান।

লওয়েল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিদ ডেভিড শ্লাইকনার বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে এই ধূমকেতুতে কার্বনজাত যৌগের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কম। এ ধরনের রাসায়নিক গঠনের ধূমকেতু এর আগে মাত্র দুটি শনাক্ত হয়েছিল।

বর্তমানে ধূমকেতুটি পূর্ব আকাশে ভার্গো ও লিও নক্ষত্রমণ্ডলের সংযোগস্থলে দেখা যাচ্ছে। সূর্য ওঠার কিছু আগে দূরবীন বা এমনকি সাধারণ বাইনোকুলার দিয়েও এটি দেখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্পেসওয়েদার-এর লেখক টনি ফিলিপস।

জ্যোতির্বিদ বার্টলেটের মতে, এটি বর্তমানে ৯ ম্যাগনিচিউড উজ্জ্বলতার এক দৃষ্টিনন্দন ধূমকেতু, যা শরৎ ও শীত মৌসুমজুড়ে দৃশ্যমান থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

সূর্যের কাছ থেকে ফিরে এলো সোনালি ধূমকেতু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

আকাশে দেখা যাচ্ছে বিরল এক সোনালি ধূমকেতু। সূর্যের কাছ দিয়ে অতিক্রম করার পরও এটি অক্ষতভাবে ফিরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আকাশ পর্যবেক্ষকরা এই চমকপ্রদ দৃশ্য উপভোগ করছেন।

ধূমকেতুটির নাম C/2025 K1 (ATLAS)। এটি মহাকাশের এক দূরবর্তী অঞ্চল ওর্ট মেঘ থেকে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে অ্যাস্টেরয়েড টেরেস্ট্রিয়াল-ইমপ্যাক্ট লাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেম (ATLAS) টেলিস্কোপ প্রথম এটি শনাক্ত করে।

সাধারণত বেশিরভাগ ধূমকেতু সূর্যের আলোয় সবুজ বা নীল আভায় ঝলমল করে, কারণ তাদের রাসায়নিক উপাদান ভিন্ন। কিন্তু এই ধূমকেতুটি সোনালি ও বাদামি রঙে ঝলক দিচ্ছে—যা অত্যন্ত বিরল একটি বৈশিষ্ট্য।

ক্যালিফোর্নিয়ার জ্যোতির্বিদ ড্যান বার্টলেট জানান, ৮ অক্টোবর ধূমকেতুটি সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান (পেরিহেলিয়ন) অতিক্রম করে। তখন বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, এটি ভেঙে যাবে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ধূমকেতুটি অক্ষত থেকে যায় এবং এখন আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান।

লওয়েল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিদ ডেভিড শ্লাইকনার বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে এই ধূমকেতুতে কার্বনজাত যৌগের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কম। এ ধরনের রাসায়নিক গঠনের ধূমকেতু এর আগে মাত্র দুটি শনাক্ত হয়েছিল।

বর্তমানে ধূমকেতুটি পূর্ব আকাশে ভার্গো ও লিও নক্ষত্রমণ্ডলের সংযোগস্থলে দেখা যাচ্ছে। সূর্য ওঠার কিছু আগে দূরবীন বা এমনকি সাধারণ বাইনোকুলার দিয়েও এটি দেখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্পেসওয়েদার-এর লেখক টনি ফিলিপস।

জ্যোতির্বিদ বার্টলেটের মতে, এটি বর্তমানে ৯ ম্যাগনিচিউড উজ্জ্বলতার এক দৃষ্টিনন্দন ধূমকেতু, যা শরৎ ও শীত মৌসুমজুড়ে দৃশ্যমান থাকবে।