ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে সাংবাদিকদের সাহায্য নিতেই হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 109

নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজন করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিতে হবে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও ইসির বিধিমালা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এটি সরকারের বক্তব্য নয়, আমার ব্যক্তিগত মতামত—সাংবাদিকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্বর্তী সরকারও এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।”

পূর্বের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “২০০৮ সালের পর অনেক ভোটার ভোট দিতে পারেননি। অনেক তরুণ জানেনই না ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া কী। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের বাইরে রেখে দেশ পরিচালিত হয়েছে, এর দায় শুধু কোনো একটি দলের নয়—সমগ্র জাতির।”

তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে নির্বাচন কমিশনকে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসতে হবে এবং তাদের সহযোগিতা নিতে হবে। ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের পার্থক্য সবাইকে বুঝতে হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়েরই লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে সাংবাদিকদের সাহায্য নিতেই হবে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজন করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিতে হবে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও ইসির বিধিমালা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “এটি সরকারের বক্তব্য নয়, আমার ব্যক্তিগত মতামত—সাংবাদিকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্বর্তী সরকারও এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।”

পূর্বের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “২০০৮ সালের পর অনেক ভোটার ভোট দিতে পারেননি। অনেক তরুণ জানেনই না ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া কী। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের বাইরে রেখে দেশ পরিচালিত হয়েছে, এর দায় শুধু কোনো একটি দলের নয়—সমগ্র জাতির।”

তিনি আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে নির্বাচন কমিশনকে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসতে হবে এবং তাদের সহযোগিতা নিতে হবে। ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের পার্থক্য সবাইকে বুঝতে হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়েরই লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা।”