ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স, ১১ জনের শরীরে উপসর্গ

নিজস্ব প্রতিবদেক, রংপুর (গাইবান্ধা)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 56

অ্যানথ্রাক্স। ফাইল ছবি

দিনদিন বেড়েই চলছে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কিশামত সদর গ্রামে একটি রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের পর অন্তত ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে সাতজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, আর বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আক্রান্তরা গাইবান্ধা শহরের রাবেয়া ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম ও রাবেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নেন।

আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতররা হলেন- শফিকুল ইসলাম, মাহবুর রহমান, মোজা মিয়া ও মোজাফফর মিয়া।

আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মঞ্জুরুল করিম প্রিন্স। তিনি বলেন, সাতজন রোগীর হাতে, মুখে, চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোসকা, পচন, জ্বর, ব্যথা ও চুলকানি দেখা গেছে। এটি অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ।

প্রিন্স আরও বলেন, আক্রান্তদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। এটি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, আক্রান্ত পশু জবাই বা মাংস কাটার সময় সংক্রমণ ঘটে। নিয়মিত চিকিৎসায় তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক জানান, বৃহস্পতিবার ৪-৫ জন রোগী অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের গাইবান্ধা অথবা রংপুর মেডিকেলে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজ কুমার বিশ্বাস বলেছেন, এলাকায় লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। আক্রান্ত পশু জবাই না করার বিষয়েও কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুন্দরগঞ্জে ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স, ১১ জনের শরীরে উপসর্গ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

দিনদিন বেড়েই চলছে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কিশামত সদর গ্রামে একটি রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের পর অন্তত ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে সাতজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, আর বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আক্রান্তরা গাইবান্ধা শহরের রাবেয়া ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম ও রাবেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নেন।

আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতররা হলেন- শফিকুল ইসলাম, মাহবুর রহমান, মোজা মিয়া ও মোজাফফর মিয়া।

আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মঞ্জুরুল করিম প্রিন্স। তিনি বলেন, সাতজন রোগীর হাতে, মুখে, চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোসকা, পচন, জ্বর, ব্যথা ও চুলকানি দেখা গেছে। এটি অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ।

প্রিন্স আরও বলেন, আক্রান্তদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। এটি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, আক্রান্ত পশু জবাই বা মাংস কাটার সময় সংক্রমণ ঘটে। নিয়মিত চিকিৎসায় তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক জানান, বৃহস্পতিবার ৪-৫ জন রোগী অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের গাইবান্ধা অথবা রংপুর মেডিকেলে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজ কুমার বিশ্বাস বলেছেন, এলাকায় লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। আক্রান্ত পশু জবাই না করার বিষয়েও কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।