ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুদানে ড্রোন হামলা, নারী ও শিশুসহ নিহত ৪০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 130

সুদানে খোলা আকাশের নিচে শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

সুদানের উত্তর করদোফান প্রদেশে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর চালানো এক ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, এই হামলা সুদানের চলমান সংঘাতে বেসামরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার এক নতুন মাত্রা যুক্ত করল।

জানা গেছে, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। ওই কর্মকর্তা সোমবার আল জাজিরাকে জানান, প্রাদেশিক রাজধানী আল-ওবেইদের পূর্বাঞ্চলীয় আল-লুয়াইব গ্রামে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য ব্যবহৃত তাঁবুকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল, যাতে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।

প্রাদেশিক সরকার একে বেসামরিক মানুষের ওপর আরএসএফের ‘অপরাধের নতুন সংযোজন’ হিসেবে উল্লেখ করে জানায়, নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের একটি বড় অংশও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এমন অবস্থায় সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আরএসএফকে অবিলম্বে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছে।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি উত্তর করদোফানে বেসামরিক জনগণের ওপর র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের নতুনতম অপরাধ, যা মানবতার বিরুদ্ধে এক সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, আরএসএফ-কে অবিলম্বে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করতে।

তাদের দাবি, এই বাহিনী নিয়মিতভাবে নিরস্ত্র বেসামরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এবং গ্রামাঞ্চলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, আরএসএফ সম্প্রতি ঘোষণা করেছিল যে, তারা শিগগিরই আল-ওবেইদ শহরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাবে। তারা স্থানীয়দের নিরাপদ করিডোর ব্যবহার করে শহর ত্যাগেরও নির্দেশ দিয়েছিল। এই ঘোষণার পরই সোমবারের হামলা, যা এখন অনেকের কাছে সেই হুমকির বাস্তব রূপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, অক্টোবরের শেষ দিক থেকে উত্তর ও দক্ষিণ করদোফানে নিরাপত্তাহীনতার কারণে অন্তত ৩৮ হাজার মানুষ নিজ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। যুদ্ধের কারণে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে অঞ্চলে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুদানে ড্রোন হামলা, নারী ও শিশুসহ নিহত ৪০

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

সুদানের উত্তর করদোফান প্রদেশে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর চালানো এক ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, এই হামলা সুদানের চলমান সংঘাতে বেসামরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার এক নতুন মাত্রা যুক্ত করল।

জানা গেছে, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। ওই কর্মকর্তা সোমবার আল জাজিরাকে জানান, প্রাদেশিক রাজধানী আল-ওবেইদের পূর্বাঞ্চলীয় আল-লুয়াইব গ্রামে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য ব্যবহৃত তাঁবুকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল, যাতে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।

প্রাদেশিক সরকার একে বেসামরিক মানুষের ওপর আরএসএফের ‘অপরাধের নতুন সংযোজন’ হিসেবে উল্লেখ করে জানায়, নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের একটি বড় অংশও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এমন অবস্থায় সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আরএসএফকে অবিলম্বে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছে।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি উত্তর করদোফানে বেসামরিক জনগণের ওপর র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের নতুনতম অপরাধ, যা মানবতার বিরুদ্ধে এক সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, আরএসএফ-কে অবিলম্বে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করতে।

তাদের দাবি, এই বাহিনী নিয়মিতভাবে নিরস্ত্র বেসামরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এবং গ্রামাঞ্চলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, আরএসএফ সম্প্রতি ঘোষণা করেছিল যে, তারা শিগগিরই আল-ওবেইদ শহরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাবে। তারা স্থানীয়দের নিরাপদ করিডোর ব্যবহার করে শহর ত্যাগেরও নির্দেশ দিয়েছিল। এই ঘোষণার পরই সোমবারের হামলা, যা এখন অনেকের কাছে সেই হুমকির বাস্তব রূপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, অক্টোবরের শেষ দিক থেকে উত্তর ও দক্ষিণ করদোফানে নিরাপত্তাহীনতার কারণে অন্তত ৩৮ হাজার মানুষ নিজ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। যুদ্ধের কারণে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে অঞ্চলে।