ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ক্যাচ মিসের মহড়া দিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 64

সিলেটে ক্যাচ মিসের মহড়া দিল বাংলাদেশ

নিজেদের ঘরের মাঠ, পরিচিত উইকেট ও সমর্থনে ভরপুর গ্যালারি—সব সুবিধাই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। প্রতিপক্ষও শক্তিশালী কেউ নয়, তুলনামূলক দুর্বল আয়ারল্যান্ড। তবু সিলেট টেস্টের প্রথম দিনেই বাজে ফিল্ডিংয়ে হতাশ করল টাইগাররা।

মঙ্গলবার প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডকে ২৭০ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে অন্তত ৫টি সহজ ক্যাচ মিসের কারণে রান খরচ বেড়ে যায়। ক্রিকেটে প্রচলিত প্রবাদই বলছে, “ক্যাচ মিস মানেই ম্যাচ মিস”—আর সেই ভুলেরই পুনরাবৃত্তি হলো সিলেট টেস্টে।

দিনজুড়ে একের পর এক ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন সাদমান ইসলাম অনিক, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড ইনিংসের শুরুতেই হারায় অধিনায়ক অ্যান্ডি বলবার্নিকে—হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত ইনসুইংগারে এলবিডব্লিউ হন তিনি। এরপরই শুরু হয় বাংলাদেশি ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসের মহড়া।

ইনিংসের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ ওভারের মধ্যে তিনটি সহজ ক্যাচ ফেলেন ফিল্ডাররা। নাহিদ রানার বলে দ্বিতীয় স্লিপে সাদমান ধরতে পারেননি স্টার্লিংয়ের ক্যাচ; তখন তার রান ছিল মাত্র ১০। কিছুক্ষণ পর মিরাজও তাকে জীবন দেন। তাইজুল ইসলাম মিডউইকেটে কারমাইকেলের একটি ক্যাচ মিস করে হাতেও আঘাত পান, ফলে বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামেন জাকের আলী অনিক।

এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দারুণভাবে ইনিংস গড়েন পল স্টার্লিং। দুইবার জীবন পেয়ে ৭৩ বলে ৯টি চার মেরে করেন ৬০ রান—যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক।

কারমাইকেল ৫৯ রান করে ফেরার আগে স্টার্লিংয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়েন, যা আয়ারল্যান্ডের রেকর্ড পার্টনারশিপ।

হাসান মুরাদের বলে লর্কান টাকারও জীবন পান শান্তর হাতে, পরে তিনি করেন ৪১ রান। কার্টিস ক্যাম্ফারের সঙ্গে তিনি যোগ করেন ৫৩ রানের জুটি।

অভিষিক্ত জর্ডান নিলও ১ রানে ফেরার কথা ছিল, কিন্তু তার ক্যাচও মিস করেন মুশফিক। পরবর্তীতে তিনি ৩০ রান করে থামেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, যিনি ৩ উইকেট নেন ৫০ রানে। অভিষিক্ত হাসান মুরাদ নেন ২ উইকেট ৪৭ রানে, আর হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম পান একটি করে উইকেট।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সিলেটে ক্যাচ মিসের মহড়া দিল বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

নিজেদের ঘরের মাঠ, পরিচিত উইকেট ও সমর্থনে ভরপুর গ্যালারি—সব সুবিধাই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। প্রতিপক্ষও শক্তিশালী কেউ নয়, তুলনামূলক দুর্বল আয়ারল্যান্ড। তবু সিলেট টেস্টের প্রথম দিনেই বাজে ফিল্ডিংয়ে হতাশ করল টাইগাররা।

মঙ্গলবার প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডকে ২৭০ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে অন্তত ৫টি সহজ ক্যাচ মিসের কারণে রান খরচ বেড়ে যায়। ক্রিকেটে প্রচলিত প্রবাদই বলছে, “ক্যাচ মিস মানেই ম্যাচ মিস”—আর সেই ভুলেরই পুনরাবৃত্তি হলো সিলেট টেস্টে।

দিনজুড়ে একের পর এক ক্যাচ হাতছাড়া করেছেন সাদমান ইসলাম অনিক, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড ইনিংসের শুরুতেই হারায় অধিনায়ক অ্যান্ডি বলবার্নিকে—হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত ইনসুইংগারে এলবিডব্লিউ হন তিনি। এরপরই শুরু হয় বাংলাদেশি ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসের মহড়া।

ইনিংসের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ ওভারের মধ্যে তিনটি সহজ ক্যাচ ফেলেন ফিল্ডাররা। নাহিদ রানার বলে দ্বিতীয় স্লিপে সাদমান ধরতে পারেননি স্টার্লিংয়ের ক্যাচ; তখন তার রান ছিল মাত্র ১০। কিছুক্ষণ পর মিরাজও তাকে জীবন দেন। তাইজুল ইসলাম মিডউইকেটে কারমাইকেলের একটি ক্যাচ মিস করে হাতেও আঘাত পান, ফলে বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামেন জাকের আলী অনিক।

এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দারুণভাবে ইনিংস গড়েন পল স্টার্লিং। দুইবার জীবন পেয়ে ৭৩ বলে ৯টি চার মেরে করেন ৬০ রান—যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক।

কারমাইকেল ৫৯ রান করে ফেরার আগে স্টার্লিংয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়েন, যা আয়ারল্যান্ডের রেকর্ড পার্টনারশিপ।

হাসান মুরাদের বলে লর্কান টাকারও জীবন পান শান্তর হাতে, পরে তিনি করেন ৪১ রান। কার্টিস ক্যাম্ফারের সঙ্গে তিনি যোগ করেন ৫৩ রানের জুটি।

অভিষিক্ত জর্ডান নিলও ১ রানে ফেরার কথা ছিল, কিন্তু তার ক্যাচও মিস করেন মুশফিক। পরবর্তীতে তিনি ৩০ রান করে থামেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, যিনি ৩ উইকেট নেন ৫০ রানে। অভিষিক্ত হাসান মুরাদ নেন ২ উইকেট ৪৭ রানে, আর হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম পান একটি করে উইকেট।