ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মেহেদীর জাদুকরী স্পেল

সিরিজ জিততে বাংলাদেশের দরকার ১৩৩ রান

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 239

মেহেদীর জাদুকরী স্পেল

টি-টোয়েন্টি সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। তবে মেহেদী হাসানের ঘূর্ণির সামনে ধসে পড়ে স্বাগতিক দলের ব্যাটিং লাইনআপ। শুরুতে চাপ, মাঝপথে বিপর্যয়—তবুও শেষ দিকে দাসুন শানাকার ২৫ বলে ৩৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে শ্রীলঙ্কা।

লক্ষ্যটা মাঝারি হলেও উইকেটের ধীর গতি এবং শ্রীলঙ্কার স্পিন আক্রমণের কারণে বাংলাদেশকে সাবধানে ব্যাটিং করতে হবে।

বল হাতে ম্যাচের রাশ নিজের হাতে তুলে নেন অফস্পিনার মেহেদী হাসান। শুরুতেই ফিরিয়ে দেন কুশল পেরেরাকে। এরপর একে একে বিদায় করেন চান্দিমাল, অধিনায়ক আসালাঙ্কা এবং সেট হয়ে যাওয়া পাথুম নিশাঙ্কাকে। এই চার উইকেটেই মূল ভূমিকা রাখেন মেহেদী; ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট—টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি তাঁর সেরা বোলিং ফিগার।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে কেবল দুটি ব্যাটিং পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্য—পাথুম নিশাঙ্কার ৪৬ ও দাসুন শানাকার অপরাজিত ৩৫। শুরু থেকেই লড়াই চালিয়ে যান নিশাঙ্কা, তবে ১০তম ওভারে মেহেদীর বলে তিনিও ফিরে যান। এরপর ধুঁকতে থাকা ইনিংসটিকে কিছুটা গতি দেন কামিন্দু মেন্ডিস (২১)। তবে ১৬.৬ ওভারে ১০৩ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে থেমে যায় শ্রীলঙ্কার গতি।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের পেসার শরীফুল ইসলামকে ছয় ও চারে তুলোধোনা করে একাই ২২ রান আদায় করেন শানাকা। ওই এক ওভারেই দলীয় সংগ্রহ ১৩০ রান ছাড়িয়ে যায়।

সিরিজ জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন ১৩৩ রান। তিন ম্যাচের সিরিজে দুই দল সমতা বজায় রেখেছে (১–১); এই ম্যাচ জিতলেই শিরোপা উঠবে বিজয়ী দলের ঘরে। ব্যাট হাতে দায়িত্ব নিতে হবে লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেনদের মতো ব্যাটারদের। তবে কলম্বোর ধীরগতির উইকেটে শ্রীলঙ্কার স্পিনারদের বিপক্ষে কোনো ধরনের ভুল হলে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেহেদীর জাদুকরী স্পেল

সিরিজ জিততে বাংলাদেশের দরকার ১৩৩ রান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

টি-টোয়েন্টি সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। তবে মেহেদী হাসানের ঘূর্ণির সামনে ধসে পড়ে স্বাগতিক দলের ব্যাটিং লাইনআপ। শুরুতে চাপ, মাঝপথে বিপর্যয়—তবুও শেষ দিকে দাসুন শানাকার ২৫ বলে ৩৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করে শ্রীলঙ্কা।

লক্ষ্যটা মাঝারি হলেও উইকেটের ধীর গতি এবং শ্রীলঙ্কার স্পিন আক্রমণের কারণে বাংলাদেশকে সাবধানে ব্যাটিং করতে হবে।

বল হাতে ম্যাচের রাশ নিজের হাতে তুলে নেন অফস্পিনার মেহেদী হাসান। শুরুতেই ফিরিয়ে দেন কুশল পেরেরাকে। এরপর একে একে বিদায় করেন চান্দিমাল, অধিনায়ক আসালাঙ্কা এবং সেট হয়ে যাওয়া পাথুম নিশাঙ্কাকে। এই চার উইকেটেই মূল ভূমিকা রাখেন মেহেদী; ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট—টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি তাঁর সেরা বোলিং ফিগার।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে কেবল দুটি ব্যাটিং পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্য—পাথুম নিশাঙ্কার ৪৬ ও দাসুন শানাকার অপরাজিত ৩৫। শুরু থেকেই লড়াই চালিয়ে যান নিশাঙ্কা, তবে ১০তম ওভারে মেহেদীর বলে তিনিও ফিরে যান। এরপর ধুঁকতে থাকা ইনিংসটিকে কিছুটা গতি দেন কামিন্দু মেন্ডিস (২১)। তবে ১৬.৬ ওভারে ১০৩ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে থেমে যায় শ্রীলঙ্কার গতি।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের পেসার শরীফুল ইসলামকে ছয় ও চারে তুলোধোনা করে একাই ২২ রান আদায় করেন শানাকা। ওই এক ওভারেই দলীয় সংগ্রহ ১৩০ রান ছাড়িয়ে যায়।

সিরিজ জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন ১৩৩ রান। তিন ম্যাচের সিরিজে দুই দল সমতা বজায় রেখেছে (১–১); এই ম্যাচ জিতলেই শিরোপা উঠবে বিজয়ী দলের ঘরে। ব্যাট হাতে দায়িত্ব নিতে হবে লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেনদের মতো ব্যাটারদের। তবে কলম্বোর ধীরগতির উইকেটে শ্রীলঙ্কার স্পিনারদের বিপক্ষে কোনো ধরনের ভুল হলে ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।