ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের শিল্প গ্রুপের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 114

সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের শিল্প গ্রুপের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণ পাচারের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ পরিবারের মালিকানাধীন শিল্প গ্রুপের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পাচারের মামলায় এই গ্রেপ্তার ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৯-২০ সালে মন্ত্রী থাকার সময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এই মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং ব্যবসায়িক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ৩১ জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তার দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন হলেন শিল্পগোষ্ঠী আরামিট পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. আব্দুল আজিজ এবং অপরজন হলেন উৎপল পাল। দুদক কর্মকর্তা সুবেল আহমেদ জানান, আব্দুল আজিজ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন, এবং উৎপল পালও মামলার তদন্তে অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে পাওয়া যায়, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এবং তার পরিবার আরামিটের নামে পাঁচটি নামসর্বস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ওই টাকা একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় এবং পরে পাচার করা হয়।

গ্রেপ্তার আব্দুল আজিজের নামে “ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং” নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছিল, যেখানে কিছু টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে এবং এর পর তাকে পরবর্তী মন্ত্রিসভায় দেখা যায়নি। ২০২৩ সালের আগস্টে তিনি তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লন্ডনে চলে যান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের শিল্প গ্রুপের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণ পাচারের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ পরিবারের মালিকানাধীন শিল্প গ্রুপের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পাচারের মামলায় এই গ্রেপ্তার ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৯-২০ সালে মন্ত্রী থাকার সময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এই মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং ব্যবসায়িক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ৩১ জনকে আসামি করা হয়।

গ্রেপ্তার দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন হলেন শিল্পগোষ্ঠী আরামিট পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. আব্দুল আজিজ এবং অপরজন হলেন উৎপল পাল। দুদক কর্মকর্তা সুবেল আহমেদ জানান, আব্দুল আজিজ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন, এবং উৎপল পালও মামলার তদন্তে অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে পাওয়া যায়, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এবং তার পরিবার আরামিটের নামে পাঁচটি নামসর্বস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ওই টাকা একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় এবং পরে পাচার করা হয়।

গ্রেপ্তার আব্দুল আজিজের নামে “ইম্পেরিয়াল ট্রেডিং” নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছিল, যেখানে কিছু টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে এবং এর পর তাকে পরবর্তী মন্ত্রিসভায় দেখা যায়নি। ২০২৩ সালের আগস্টে তিনি তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লন্ডনে চলে যান।