ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 86

সাদুল্লাপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢোলভাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক (৫০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১৩ অক্টোবর সোমবার রাতে গাইবান্ধা পৌর শহরের জেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালুক হরিদাস গ্রামের সাবেক বিডিআর সদস্য মোশাররফ হোসেন নওশার ছেলে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর গাইবান্ধা শহরের পলাশপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার জানান, গত ২৬ আগস্ট জেলা বিএনপি ও যুবদলের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ফারুকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই মামলায় তিনি পূর্বেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

ওসি আরও বলেন, জামিনে মুক্তির পর তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাদুল্লাপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢোলভাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক (৫০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১৩ অক্টোবর সোমবার রাতে গাইবান্ধা পৌর শহরের জেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

পুলিশ জানায়, শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালুক হরিদাস গ্রামের সাবেক বিডিআর সদস্য মোশাররফ হোসেন নওশার ছেলে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর গাইবান্ধা শহরের পলাশপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার জানান, গত ২৬ আগস্ট জেলা বিএনপি ও যুবদলের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ফারুকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই মামলায় তিনি পূর্বেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

ওসি আরও বলেন, জামিনে মুক্তির পর তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।