ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরে আবার লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 57

সাগরে আবার লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ঘূর্ণিঝড় মোন্থার বিদায়ের পর বঙ্গোপসাগরে আবার লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে দেশের দুই বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছে, এই লঘুচাপ সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, লঘুচাপটি বর্তমানে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এটি বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গা এবং বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে, দিনে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, এছাড়া বরিশাল ও সিলেটের কিছু জায়গায়ও বৃষ্টি হবে। লঘুচাপ চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।”

রাজধানীতে এই লঘুচাপের প্রভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আগামীকাল বা পরদিন।

এর আগে, ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় মোন্থা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এর ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হয়। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেশি হয়, যা ফসলের ক্ষতির কারণ হয়। রাজধানীতে মোন্থার প্রভাবে গত শনিবার ৯ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাগরে আবার লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

ঘূর্ণিঝড় মোন্থার বিদায়ের পর বঙ্গোপসাগরে আবার লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে দেশের দুই বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছে, এই লঘুচাপ সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, লঘুচাপটি বর্তমানে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এটি বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গা এবং বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে, দিনে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, এছাড়া বরিশাল ও সিলেটের কিছু জায়গায়ও বৃষ্টি হবে। লঘুচাপ চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।”

রাজধানীতে এই লঘুচাপের প্রভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আগামীকাল বা পরদিন।

এর আগে, ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় মোন্থা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এর ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হয়। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেশি হয়, যা ফসলের ক্ষতির কারণ হয়। রাজধানীতে মোন্থার প্রভাবে গত শনিবার ৯ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।