ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, হাসিমুখে ট্রাইব্যুনালে হাজির হলেন ইনু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 78

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, হাসিমুখে ট্রাইব্যুনালে হাজির হলেন ইনু

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় অভিযোগ গঠন বাতিলের আবেদন খারিজ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া আগের মতোই চলবে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-২ এর দুই সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্য ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে সকালে তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। কাভার্ড ভ্যান থেকে নামার সময় ইনুকে হাসিমুখে প্রবেশ করতে দেখা যায়। একই দিনে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের অন্য একটি বেঞ্চে এই মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

গত ২ নভেম্বর ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল-২। সেদিন অভিযোগগুলো তাকে পড়ে শোনানো হলে ইনু নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

২৫ সেপ্টেম্বর তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর আটটি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। শুনানির পর আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন। এর আগেই ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা থেকে ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাবন্দি।

অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়া শহরে শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও ইউসুফ শেখ নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে। এই হত্যাকাণ্ডে উসকানি ও পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইনুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। তদন্ত শেষে ৩৯ পৃষ্ঠার ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন, যেখানে তিনটি অডিও, ছয়টি ভিডিও এবং ২০ জন সাক্ষীর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, হাসিমুখে ট্রাইব্যুনালে হাজির হলেন ইনু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় অভিযোগ গঠন বাতিলের আবেদন খারিজ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া আগের মতোই চলবে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-২ এর দুই সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্য ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে সকালে তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। কাভার্ড ভ্যান থেকে নামার সময় ইনুকে হাসিমুখে প্রবেশ করতে দেখা যায়। একই দিনে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের অন্য একটি বেঞ্চে এই মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

গত ২ নভেম্বর ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল-২। সেদিন অভিযোগগুলো তাকে পড়ে শোনানো হলে ইনু নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

২৫ সেপ্টেম্বর তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর আটটি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। শুনানির পর আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন। এর আগেই ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা থেকে ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাবন্দি।

অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়া শহরে শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও ইউসুফ শেখ নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে। এই হত্যাকাণ্ডে উসকানি ও পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইনুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। তদন্ত শেষে ৩৯ পৃষ্ঠার ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন, যেখানে তিনটি অডিও, ছয়টি ভিডিও এবং ২০ জন সাক্ষীর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।