সরকারি বেতন বৃদ্ধি ঘুষ ও দুর্নীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে: টিআইবি
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৪১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / 4
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সতর্ক করেছে যে, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব কার্যকর জবাবদিহি ও প্রশাসনিক সংস্কার ছাড়া বাস্তবায়িত হলে ঘুষ ও দুর্নীতিকে অপ্রত্যাশিতভাবে শক্তিশালী করতে পারে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বলেছে, সাধারণ জনগণ ইতোমধ্যেই আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে, তাই অতিরিক্ত বোঝা চাপানোর আগে সরকারকে অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে ইতোমধ্যেই আর্থিক সংকটে থাকা জনগণের ওপর। “এই অতিরিক্ত অর্থের উৎস কোথা থেকে আসবে এবং জনগণের জন্য কোন সুবিধা থাকবে তা স্পষ্ট নয়,” তিনি বলেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেছেন, এই ব্যয়ভার বহন করার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে সব খাতের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, সরকার কি এ প্রভাব বিবেচনা করেছে বা তা মোকাবিলার জন্য কোনো পরিকল্পনা করেছে?
তিনি আরও বলেন, সরকারি খাতে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সংস্কৃতি গভীর, তাই অতীতের অভিজ্ঞতা দেখায় যে বেতন বৃদ্ধি হলে ঘুষসহ অবৈধ লেনদেনও বেড়ে যায়। “এবারও ভিন্ন কিছু হবে—এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।”
টিআইবি পরামর্শ দিয়েছে যে, বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করার আগে সরকারি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এতে অন্তর্ভুক্ত হবে সকল কর্মচারীর বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের হিসাব হালনাগাদ এবং প্রকাশ করা। শুধুমাত্র তখনই জনগণ এই বেতন বৃদ্ধিকে পরীক্ষামূলকভাবে মেনে নিতে পারে।































