ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট প্রচারণা দণ্ডনীয়: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 9

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। ইসি এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি করেছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বৃহস্পতিবার একটি বিশেষ নির্দেশনায় বলেছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা শুধুমাত্র জনগণকে গণভোট বিষয়ে সচেতন করতে পারবেন; ভোট প্রদানের আহ্বান জানানো যাবে না। কমিশন জানায়, এই ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নির্দেশনায় বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে, যেখানে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও অংশ নিচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট প্রচারণা দণ্ডনীয়: ইসি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। ইসি এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি করেছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বৃহস্পতিবার একটি বিশেষ নির্দেশনায় বলেছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা শুধুমাত্র জনগণকে গণভোট বিষয়ে সচেতন করতে পারবেন; ভোট প্রদানের আহ্বান জানানো যাবে না। কমিশন জানায়, এই ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নির্দেশনায় বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে, যেখানে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও অংশ নিচ্ছে।