ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের দোষারোপ করা সমাধান নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 187

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের দোষারোপ করে লাভ নেই। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, যেখানে দুই হাজার ৬০০ রোগীর ধারণক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পাঁচ হাজার রোগী আসে, সেখানে সীমাবদ্ধতাগুলো একত্রিতভাবে অতিক্রম করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গৃহে জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রায় ৩৫ শতাংশ, তবে সেখানে জন্মদাতা কতটা প্রশিক্ষিত তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় এসব কথা বলেন। নূরজাহান বেগম বলেন, শিশুদের গুঁড়া দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সবাই জড়িত; একে দোষারোপের মাধ্যমে নয়, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাতৃদুগ্ধে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক কার্যক্রম শুধুমাত্র সরকার বা স্বাস্থ্যসেক্টরের একক উদ্যোগ নয়। এনজিওকর্মী, মসজিদের ইমাম, খুতবা বা মন্দির-গির্জায় সচেতনতামূলক আলোচনা পর্যন্ত সবাই অংশ নিতে পারে। মিডিয়ারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, যা জাতিকে সঠিক তথ্য ও সচেতনতা প্রদানে সহায়ক হবে।

পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রসঙ্গে নূরজাহান বেগম বলেন, মায়েদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে সন্তান ও পরিবারকে সহায়তা করতে পারলে ছুটির বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে। তিনি যোগ করেন, “আমরা সেবা নিতে জানি, দিতে জানি না; নিজে থেকে সেবা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।”

কর্মশালায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহামদ, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাজমুল হোসেন ও বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এস কে রায়সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের দোষারোপ করা সমাধান নয়

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের দোষারোপ করে লাভ নেই। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, যেখানে দুই হাজার ৬০০ রোগীর ধারণক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পাঁচ হাজার রোগী আসে, সেখানে সীমাবদ্ধতাগুলো একত্রিতভাবে অতিক্রম করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গৃহে জন্ম নেওয়া শিশুরা প্রায় ৩৫ শতাংশ, তবে সেখানে জন্মদাতা কতটা প্রশিক্ষিত তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় এসব কথা বলেন। নূরজাহান বেগম বলেন, শিশুদের গুঁড়া দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সবাই জড়িত; একে দোষারোপের মাধ্যমে নয়, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাতৃদুগ্ধে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক কার্যক্রম শুধুমাত্র সরকার বা স্বাস্থ্যসেক্টরের একক উদ্যোগ নয়। এনজিওকর্মী, মসজিদের ইমাম, খুতবা বা মন্দির-গির্জায় সচেতনতামূলক আলোচনা পর্যন্ত সবাই অংশ নিতে পারে। মিডিয়ারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, যা জাতিকে সঠিক তথ্য ও সচেতনতা প্রদানে সহায়ক হবে।

পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রসঙ্গে নূরজাহান বেগম বলেন, মায়েদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে সন্তান ও পরিবারকে সহায়তা করতে পারলে ছুটির বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে। তিনি যোগ করেন, “আমরা সেবা নিতে জানি, দিতে জানি না; নিজে থেকে সেবা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।”

কর্মশালায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহামদ, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাজমুল হোসেন ও বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এস কে রায়সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।