ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 183

সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবারও সচিবালয়ে টানা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। “কালো আইন বাতিল করো” স্লোগানে মুখর ছিল সচিবালয়ের পরিবেশ।

সকাল ১১টায় ৬ নম্বর ভবনের সামনে বাদামতলায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন কর্মচারীরা। পরে মিছিলটি সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন ভবনের নিচে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।

আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’। বিক্ষোভ সমাবেশে ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর, মো. নুরুল ইসলাম, কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাদেশের বিষয়ে সোমবার আইন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “এখানে অবশ্যই পুনর্বিবেচনার অবকাশ রয়েছে। আমি আইনটি প্রণয়নের সময় দেশে ছিলাম না। পরবর্তীতে খসড়া দেখে মনে হয়েছে, এটি পুনর্মূল্যায়ন জরুরি।”

প্রসঙ্গত, ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ২৫ মে তা জারি করা হয়। এতে বলা হয়—শৃঙ্খলাভঙ্গের চারটি অপরাধে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে একজন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা যাবে। এই বিধানকেই ‘নিবর্তনমূলক’ ও ‘কঠোর’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন আন্দোলনকারীরা।

তাদের হুঁশিয়ারি—দাবি মানা না হলে আন্দোলন সচিবালয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে মাঠ প্রশাসনেও ছড়িয়ে পড়বে। আন্দোলন চলবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০১:২২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবারও সচিবালয়ে টানা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। “কালো আইন বাতিল করো” স্লোগানে মুখর ছিল সচিবালয়ের পরিবেশ।

সকাল ১১টায় ৬ নম্বর ভবনের সামনে বাদামতলায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন কর্মচারীরা। পরে মিছিলটি সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন ভবনের নিচে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।

আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’। বিক্ষোভ সমাবেশে ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর, মো. নুরুল ইসলাম, কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাদেশের বিষয়ে সোমবার আইন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “এখানে অবশ্যই পুনর্বিবেচনার অবকাশ রয়েছে। আমি আইনটি প্রণয়নের সময় দেশে ছিলাম না। পরবর্তীতে খসড়া দেখে মনে হয়েছে, এটি পুনর্মূল্যায়ন জরুরি।”

প্রসঙ্গত, ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ২৫ মে তা জারি করা হয়। এতে বলা হয়—শৃঙ্খলাভঙ্গের চারটি অপরাধে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে একজন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা যাবে। এই বিধানকেই ‘নিবর্তনমূলক’ ও ‘কঠোর’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন আন্দোলনকারীরা।

তাদের হুঁশিয়ারি—দাবি মানা না হলে আন্দোলন সচিবালয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে মাঠ প্রশাসনেও ছড়িয়ে পড়বে। আন্দোলন চলবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত।