সালাহউদ্দিন আহমদ
সংস্কার কাজে আলোচনার চেয়ে খাওয়া-দাওয়া বেশি হচ্ছে
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
- / 164
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার কার্যক্রমে গঠনমূলক আলোচনা না হয়ে বেশি খাবারদাবার চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের বীজ রোপিত হয়েছিল বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে। আমরা জানতাম, এই স্বৈরাচার পতন হবেই, তবে সেটা কখন, কীভাবে ঘটবে, তা সুনিশ্চিত ছিল না।”
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল দশ বছরের বেশি না রাখার প্রস্তাব বিএনপি ৮ বছর আগেই দিয়েছে এবং এ বিষয়ে দলের সম্মতি রয়েছে। এখান থেকেই ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের সূচনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, “একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্রের সুরক্ষা সম্ভব নয়।”
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, “গণমাধ্যমকর্মীরা যেন মালিকের পক্ষ নয়, বিবেকের পক্ষ থেকে কাজ করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপি সবসময়ই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে এবং তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, “একটি নিরপেক্ষ ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়। তবে শুধু নির্বাহী বিভাগকে দুর্বল করলেই চলবে না। রাষ্ট্রের সব অঙ্গের জবাবদিহি ও ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।”
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সালাহউদ্দিন বলেন, “কমিশন বর্তমানে নির্বাহী বিভাগকে দুর্বল করতেই অতিমাত্রায় সক্রিয়। অথচ অতীতে একজন স্বৈরশাসকের জন্য পুরো নির্বাহী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা যায় না।”
শেষে তিনি বলেন, “আমরা একটি শক্তিশালী তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো চাই, যা ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করাবে। বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে, তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার পক্ষে নয়।”
































