ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদ নির্বাচন নিয়ে ববিয়ানদের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ববি (বরিশাল)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 62

সংসদ নির্বাচন নিয়ে ববিয়ানদের প্রত্যাশা। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

 

দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত একাধিক প্রশ্নবিদ্ধ ও একতরফা নির্বাচনের পর এবার নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- যা জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও আশার সঞ্চার করেছে। ‘চব্বিশ পরবর্তী’ নতুন বাংলাদেশে জনগণ কেমন নির্বাচন চায়, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা।

 

এই আলোচনায় অংশ নিয়েছেন দক্ষিণ বঙ্গের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা (ববিয়ান)। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তারা নিজেদের প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেছেন।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুহম্মদ শাহিন বলেন, “আমি চাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি আদর্শ নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হোক। যেখানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকবে এবং প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অনিয়ম বন্ধ করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই হোক এই নির্বাচনের লক্ষ্য।”

 

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. বিপ্লব বলেন, “এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো প্রশাসনের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ও পর্যাপ্ত উপস্থিতি থাকতে হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে শক্ত নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে এবং পর্যাপ্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণ যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে-এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার যেন তাদের দায়িত্বের সফল পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে।”

 

একই বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, “আমি এমন একটি নির্বাচন চাই যেখানে ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটবে। নির্বাচনের ফলাফল হবে বিশ্বাসযোগ্য, যাতে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়। আমি চাই সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব- যারা জনগণের কথা শুনবে, সমস্যা বুঝবে এবং ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কল্যাণে কাজ করবে। দুর্নীতিমুক্ত ও দূরদর্শী নেতৃত্বই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে।”

 

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ জিসান বলেন, “বিগত টানা তিনটি নির্বাচনে জনগণের ভোটের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। আমরা দেখেছি ভোট আগেই দেওয়া, মৃত মানুষের ভোট দেওয়ার মতো ঘটনা এবং প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করা। এসব অনিয়ম প্রশাসনের মদদেই হয়েছে। তাই তথাকথিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবর্তে আমরা চাই একটি প্রকৃত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- যেখানে আমার ভোটের প্রকৃত মূল্য থাকবে।”

 

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী গালিব বলেন, “আগামী নির্বাচন নিয়ে আমাদের ভাবনায় আশা ও উদ্বেগ- দুটোই রয়েছে। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে নিজের ভোট নিজে দিতে পারবো। দল নয়, বরং যোগ্য মানুষকে বিবেচনা করে ভোট দিতে চাই। নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, হরতাল বা অস্থিরতা যেন না হয়- কারণ এর প্রভাব সরাসরি পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকায়। যে দলই ক্ষমতায় আসুক, নির্বাচনের পর যেন জনগণের কষ্ট লাঘব হয়- এই প্রত্যাশাই করি।”

 

ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফখরুদ্দীন তারেক বলেন, “স্বৈরশাসনমুক্ত নতুন বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। আমরা চাই এই নির্বাচন হোক অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক। দীর্ঘদিন ধরে দেশে আইনের শাসন দুর্বল হয়েছে, দুর্নীতি বেড়েছে এবং গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করি।”

 

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মোসাঃ নাকিবা আনোয়ারী রিয়া বলেন, “নির্বাচন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়- এটি গণতন্ত্রের প্রাণ। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, সেটাই সবচেয়ে জরুরি। আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দৃশ্যমান উন্নয়ন ও জনগণের নিরাপত্তা চাই। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়াই হোক আগামী নির্বাচনের মূল লক্ষ্য।”

 

ফিলোসফি বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার সায়েম বলেন, “আমি চাই আগামী নির্বাচন হোক স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক। সকল নাগরিক যেন ভয়ভীতি ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। নির্বাচিত সরকার যেন ইনসাফ ও জনকল্যাণে দায়বদ্ধভাবে কাজ করে।”

 

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী নাদিম আলমাস বলেন, “আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমার ভোট যেন সত্যিই গণনা হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব ফেলে। যখন ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে, তখনই অন্যান্য সমস্যার সমাধানের পথ খুলে যাবে। আমি এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে কথা বলতে ভয় থাকবে না, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান হবে আইনের অনুসারী এবং ক্ষমতা সবসময় প্রশ্নের মুখোমুখি থাকবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদ নির্বাচন নিয়ে ববিয়ানদের প্রত্যাশা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

 

দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত একাধিক প্রশ্নবিদ্ধ ও একতরফা নির্বাচনের পর এবার নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- যা জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও আশার সঞ্চার করেছে। ‘চব্বিশ পরবর্তী’ নতুন বাংলাদেশে জনগণ কেমন নির্বাচন চায়, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা।

 

এই আলোচনায় অংশ নিয়েছেন দক্ষিণ বঙ্গের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা (ববিয়ান)। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তারা নিজেদের প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেছেন।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুহম্মদ শাহিন বলেন, “আমি চাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি আদর্শ নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হোক। যেখানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকবে এবং প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অনিয়ম বন্ধ করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই হোক এই নির্বাচনের লক্ষ্য।”

 

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. বিপ্লব বলেন, “এই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো প্রশাসনের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ও পর্যাপ্ত উপস্থিতি থাকতে হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে শক্ত নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে এবং পর্যাপ্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণ যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে-এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার যেন তাদের দায়িত্বের সফল পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে।”

 

একই বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, “আমি এমন একটি নির্বাচন চাই যেখানে ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটবে। নির্বাচনের ফলাফল হবে বিশ্বাসযোগ্য, যাতে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়। আমি চাই সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব- যারা জনগণের কথা শুনবে, সমস্যা বুঝবে এবং ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কল্যাণে কাজ করবে। দুর্নীতিমুক্ত ও দূরদর্শী নেতৃত্বই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে।”

 

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ জিসান বলেন, “বিগত টানা তিনটি নির্বাচনে জনগণের ভোটের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। আমরা দেখেছি ভোট আগেই দেওয়া, মৃত মানুষের ভোট দেওয়ার মতো ঘটনা এবং প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করা। এসব অনিয়ম প্রশাসনের মদদেই হয়েছে। তাই তথাকথিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবর্তে আমরা চাই একটি প্রকৃত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- যেখানে আমার ভোটের প্রকৃত মূল্য থাকবে।”

 

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী গালিব বলেন, “আগামী নির্বাচন নিয়ে আমাদের ভাবনায় আশা ও উদ্বেগ- দুটোই রয়েছে। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, যেখানে নিজের ভোট নিজে দিতে পারবো। দল নয়, বরং যোগ্য মানুষকে বিবেচনা করে ভোট দিতে চাই। নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, হরতাল বা অস্থিরতা যেন না হয়- কারণ এর প্রভাব সরাসরি পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকায়। যে দলই ক্ষমতায় আসুক, নির্বাচনের পর যেন জনগণের কষ্ট লাঘব হয়- এই প্রত্যাশাই করি।”

 

ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফখরুদ্দীন তারেক বলেন, “স্বৈরশাসনমুক্ত নতুন বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। আমরা চাই এই নির্বাচন হোক অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক। দীর্ঘদিন ধরে দেশে আইনের শাসন দুর্বল হয়েছে, দুর্নীতি বেড়েছে এবং গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করি।”

 

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মোসাঃ নাকিবা আনোয়ারী রিয়া বলেন, “নির্বাচন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়- এটি গণতন্ত্রের প্রাণ। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, সেটাই সবচেয়ে জরুরি। আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দৃশ্যমান উন্নয়ন ও জনগণের নিরাপত্তা চাই। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়াই হোক আগামী নির্বাচনের মূল লক্ষ্য।”

 

ফিলোসফি বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতেখার সায়েম বলেন, “আমি চাই আগামী নির্বাচন হোক স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক। সকল নাগরিক যেন ভয়ভীতি ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। নির্বাচিত সরকার যেন ইনসাফ ও জনকল্যাণে দায়বদ্ধভাবে কাজ করে।”

 

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী নাদিম আলমাস বলেন, “আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমার ভোট যেন সত্যিই গণনা হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব ফেলে। যখন ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে, তখনই অন্যান্য সমস্যার সমাধানের পথ খুলে যাবে। আমি এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে কথা বলতে ভয় থাকবে না, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান হবে আইনের অনুসারী এবং ক্ষমতা সবসময় প্রশ্নের মুখোমুখি থাকবে।”