ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 58

ফরিদপুর- ৪ আসনের সীমানা আগের মতো বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করেছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেন।

রিটটি বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম ৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেছিলেন। রিটে বলা হয়, নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া ‘ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠন করে নির্বাচন পরিচালনার স্বতন্ত্র ব্যবস্থা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তবে বাস্তবে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকায় স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতায় প্রশ্ন ওঠে। রিটে উল্লেখ করা হয়, “নির্বাহী বিভাগ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করলে তা সরকার-নির্দিষ্ট স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং নানামুখী বিতর্ক সৃষ্টি হয়।”

এছাড়া রিটে বলা হয়, বর্তমানে নির্বাহী বিভাগের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ববোধ হারিয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লোকবল থেকে সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্ট এই রিট খারিজ করে নির্বাচন কার্যক্রম চলতে দেয়ার অনুমোদন দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করেছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেন।

রিটটি বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম ৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেছিলেন। রিটে বলা হয়, নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া ‘ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠন করে নির্বাচন পরিচালনার স্বতন্ত্র ব্যবস্থা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তবে বাস্তবে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকায় স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতায় প্রশ্ন ওঠে। রিটে উল্লেখ করা হয়, “নির্বাহী বিভাগ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করলে তা সরকার-নির্দিষ্ট স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং নানামুখী বিতর্ক সৃষ্টি হয়।”

এছাড়া রিটে বলা হয়, বর্তমানে নির্বাহী বিভাগের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ববোধ হারিয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লোকবল থেকে সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্ট এই রিট খারিজ করে নির্বাচন কার্যক্রম চলতে দেয়ার অনুমোদন দিয়েছে।