ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলায় অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 206

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান আদালত অবমাননার মামলায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামানকে এই মামলায় অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

মামলার দ্বিতীয় আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)। ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম একটি অনলাইন অডিওর ভিত্তিতে এই মামলা দায়ের করেন। সেখানে শেখ হাসিনা ও শাকিল বুলবুলকে “২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি” — এমন মন্তব্যের জন্য আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।

গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের ২৫ মে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে কেউ আদালতে উপস্থিত হননি এবং কোনো আইনি প্রতিনিধিও হাজির করেননি।

এরপর আদালত সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী পরদিন দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যাতে আসামিদের ৩ জুন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মামলায় অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান আদালত অবমাননার মামলায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিউজ্জামানকে এই মামলায় অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

মামলার দ্বিতীয় আসামি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা শাকিল আকন্দ বুলবুল ওরফে মো. শাকিল আলম (৪০)। ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম একটি অনলাইন অডিওর ভিত্তিতে এই মামলা দায়ের করেন। সেখানে শেখ হাসিনা ও শাকিল বুলবুলকে “২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি” — এমন মন্তব্যের জন্য আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।

গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের ২৫ মে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে কেউ আদালতে উপস্থিত হননি এবং কোনো আইনি প্রতিনিধিও হাজির করেননি।

এরপর আদালত সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী পরদিন দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যাতে আসামিদের ৩ জুন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়।