ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মোংলায় বিএনপি নেতা শামীম

শেখ মুজিব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পদ দখল ও লুটপাট করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 253

শেখ মুজিব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পদ দখল ও লুটপাট করেছে

বিএনপির কেন্দ্রীয় গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম বলেছেন—১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় এসে এ দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিলেন। সে সময় গণতন্ত্রকে হত্যা করে সবার আগে হিন্দুসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও লুটপাট করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, ওই সময় এবং গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতাকর্মীরাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি, ঘের দখল, মাছ লুট ও সম্পত্তি দখল করে তারা দুঃশাসন কায়েম করেছিল।

বুধবার (১১ জুন) বিকেলে দ্বিগরাজ বাজারে মোংলা-রামপাল অঞ্চলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মাল ও সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সম্ভু কুণ্ড। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম।

বক্তব্য রাখেন—জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকরাম হোসেন তালিম, সাবেক এমপি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. ওহিদুজ্জামান দিপু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী, রামপাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বাগেরহাট জেলা আহ্বায়ক প্রদীপ বসু সন্তু, জেলা সদস্য সচিব শিমুল চন্দ্র রায়, মোংলা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক গোপাল মণ্ডল কালু এবং মোংলা পৌর শাখার আহ্বায়ক শচীন রায়।

সমাবেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, “ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে। প্রতিটি ধর্মের মানুষ শান্তিতে বিশ্বাসী। তাই আমরা এই দেশে শান্তি কামনা করি। দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা হবে, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে কোনো ধর্ম বা বর্ণের ভেদাভেদ থাকবে না।”

তিনি বলেন, “এই বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করার সুযোগ পাবে। কেউ কখনো অন্যায়ের শিকার হবে না। এই দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে কেউ নেই—সকল ধর্মের মানুষ আমাদের ভাই ভাই। তাই সকলে মিলে-মিশে বসবাস করাই আমাদের প্রকৃত ধর্ম।

যারা নিজেরা বা অন্য কোনো মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণ নিয়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর জুলুম-অত্যাচার চালানোর চেষ্টা করবে, আমরা সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিহত করব। কেউ যদি ধর্ম নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করে, তাও প্রতিহত করতে হবে।

তাহলেই অসম্প্রদায়িক নতুন বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হবে। মোংলায় শান্তিপ্রিয় মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানের আহ্বানে এই সম্প্রীতির বার্তা দেশের প্রতিটি জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চাই। মোংলা-রামপালসহ দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মোংলায় বিএনপি নেতা শামীম

শেখ মুজিব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পদ দখল ও লুটপাট করেছে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

বিএনপির কেন্দ্রীয় গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম বলেছেন—১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় এসে এ দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিলেন। সে সময় গণতন্ত্রকে হত্যা করে সবার আগে হিন্দুসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও লুটপাট করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, ওই সময় এবং গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতাকর্মীরাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি, ঘের দখল, মাছ লুট ও সম্পত্তি দখল করে তারা দুঃশাসন কায়েম করেছিল।

বুধবার (১১ জুন) বিকেলে দ্বিগরাজ বাজারে মোংলা-রামপাল অঞ্চলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মাল ও সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সম্ভু কুণ্ড। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম।

বক্তব্য রাখেন—জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকরাম হোসেন তালিম, সাবেক এমপি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. ওহিদুজ্জামান দিপু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী, রামপাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বাগেরহাট জেলা আহ্বায়ক প্রদীপ বসু সন্তু, জেলা সদস্য সচিব শিমুল চন্দ্র রায়, মোংলা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক গোপাল মণ্ডল কালু এবং মোংলা পৌর শাখার আহ্বায়ক শচীন রায়।

সমাবেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, “ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে। প্রতিটি ধর্মের মানুষ শান্তিতে বিশ্বাসী। তাই আমরা এই দেশে শান্তি কামনা করি। দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা হবে, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে কোনো ধর্ম বা বর্ণের ভেদাভেদ থাকবে না।”

তিনি বলেন, “এই বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করার সুযোগ পাবে। কেউ কখনো অন্যায়ের শিকার হবে না। এই দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে কেউ নেই—সকল ধর্মের মানুষ আমাদের ভাই ভাই। তাই সকলে মিলে-মিশে বসবাস করাই আমাদের প্রকৃত ধর্ম।

যারা নিজেরা বা অন্য কোনো মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণ নিয়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর জুলুম-অত্যাচার চালানোর চেষ্টা করবে, আমরা সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিহত করব। কেউ যদি ধর্ম নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করে, তাও প্রতিহত করতে হবে।

তাহলেই অসম্প্রদায়িক নতুন বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হবে। মোংলায় শান্তিপ্রিয় মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানের আহ্বানে এই সম্প্রীতির বার্তা দেশের প্রতিটি জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চাই। মোংলা-রামপালসহ দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করছি।