শীতে অসুস্থতা এড়াতে যেসব খাবার উপকারী
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 108
শীত যেমন বাড়ে, তেমনই বাড়ে নানা মৌসুমি অসুস্থতা—সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা ইত্যাদি। অনেক সময় কাশি নিজে নিজেই কমে যায়, তবে কাশির সঙ্গে জ্বর দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা জরুরি। এ সময় কুসুম গরম পানি পান করা এবং গরম পানি দিয়ে গোসল করা স্বস্তি দিতে পারে।
শীতের সাধারণ অসুস্থতা থেকে রেহাই পেতে কিছু খাবার ও পানীয় বিশেষভাবে কার্যকর। যেমন—গরম স্যুপ, আদা-দারুচিনি বা রসুনভেজানো পানি, মধু-লেবু-আদা চা ও পুদিনা-চা। লেবুর ভিটামিন সি এবং মধুর খনিজ উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
নিচের পথ্যগুলোও শীতজনিত কাশি-সর্দিতে বেশ উপযোগী:
মেথি
এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ মেথি গুঁড়া মিশিয়ে গার্গেল করলে গলার ব্যথা কমতে পারে।
তুলসীপাতা
তুলসীপাতা দিয়ে বানানো গরম পানি বা প্রতিদিন দুই–তিনটি তুলসীপাতা চিবিয়ে খেলেও সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। গলা খুসখুস করলেও তুলসী ভালো কাজ দেয়।
সেলরি
সেলরি বা সেলরির সিদ্ধ পানি সর্দি-কাশির সময় শরীরকে আরামে রাখে।
রসুন
শীতজনিত সর্দি-কাশি হলে রসুনভেজানো গরম পানি ঘন ঘন পান করা আরাম দিতে পারে।
এ ছাড়া কালজিরা ভর্তা, সরিষার ভর্তা, শাকের ভর্তা, পেঁয়াজ-মরিচ-সরিষার তেলের ভর্তা—এসব খাবারও শীতকালীন কাশি-সর্দিতে কাজে লাগে।
শীতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি
শীতের সময় অনেকেই পানি কম পান করেন, যার ফলে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এর কারণে তীব্র তৃষ্ণা, গাঁটে ব্যথা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বদহজম, পেশীর ক্র্যাম্প, মাইগ্রেনসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পানিশূন্যতা বাড়লে মস্তিষ্কের শক্তি উৎপাদনের হারও কমে যেতে থাকে।
শীতে সুস্থ থাকতে নিয়মিত পানি পান করা, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্য গ্রহণ ও শরীর গরম রাখাই সবচেয়ে কার্যকর।
































