ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, পঞ্চগড়
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 46

তেঁতুলিয়ায় সকালের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা মানুষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। রাতের তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ডিসেম্বরের শুরুতেই শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

এর আগে, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল মৌসুমের অন্যতম কম তাপমাত্রা। তারও আগের দিন সোমাবার ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রার এই ওঠানামা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে।

ময়দানদিঘী এলাকার ব্যবসায়ী মখলেছার রহমান বলেন, ভোরবেলা দোকান খুলতেই হাত-পা জমে আসে। ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি লাগে। লোকজনও সকাল সকাল খুব একটা বের হয় না। ব্যবসায়েও প্রভাব পড়ছে।

কলেজছাত্রী জাহান বলেন, সকালে কলেজে যেতে খুব কষ্ট হয়। বাসা থেকে বের হলেই মনে হয় বরফের বাতাস লাগছে। আমাদের এখানে শীত একটু বেশি অনুভূত হয়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শীত নামতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীত আরও তীব্র হবে। শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

তেঁতুলিয়ায় সকালের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা মানুষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। রাতের তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ডিসেম্বরের শুরুতেই শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

এর আগে, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল মৌসুমের অন্যতম কম তাপমাত্রা। তারও আগের দিন সোমাবার ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রার এই ওঠানামা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে।

ময়দানদিঘী এলাকার ব্যবসায়ী মখলেছার রহমান বলেন, ভোরবেলা দোকান খুলতেই হাত-পা জমে আসে। ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি লাগে। লোকজনও সকাল সকাল খুব একটা বের হয় না। ব্যবসায়েও প্রভাব পড়ছে।

কলেজছাত্রী জাহান বলেন, সকালে কলেজে যেতে খুব কষ্ট হয়। বাসা থেকে বের হলেই মনে হয় বরফের বাতাস লাগছে। আমাদের এখানে শীত একটু বেশি অনুভূত হয়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শীত নামতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীত আরও তীব্র হবে। শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।