শিক্ষার ডিজিকে সরানো হলো, মাউশি পুনর্গঠনের পথে
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
- / 66
নানা আলোচনা ও সমালোচনার মধ্য দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাকে ওএসডি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপের পর অধ্যাপক আজাদ খান স্বাস্থ্যগত কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন, যা কার্যত পদত্যাগ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন মহাপরিচালক পদে থাকা অবস্থায় নতুনভাবে এই পদে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মাউশি ও শিক্ষা প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। দায়িত্বে থাকা একজন মহাপরিচালকের জন্য বিষয়টিকে ‘অপমানজনক’ হিসেবে দেখা হয়। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এর জের ধরেই অধ্যাপক আজাদ খান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি গত ৭ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ে তার অব্যাহতিপত্র জমা দেন।
অধ্যাপক আজাদ খান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মাউশির মহাপরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন। তার সময়ে তথ্য সংশোধন, শিক্ষক বদলি এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন জটিলতা সমাধানে কাজ শুরু করেছিলেন। তবে অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ অসহযোগিতার কারণে তার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।
মহাপরিচালকের পদত্যাগের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাউশিকে দুটি পৃথক অধিদপ্তরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন দুটি অধিদপ্তর হবে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এবং ‘কলেজ শিক্ষা অধিদপ্তর’। শিক্ষাখাতের সংস্কার ও কার্যক্রমের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই পুনর্গঠন নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠনের কারণে মাউশির মহাপরিচালক পদে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রয়েছে। পুনর্গঠনের পর দুটি অধিদপ্তরের জন্য পৃথক মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। তবে এখনো মাউশির কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
































