ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহবাগ অবরোধ করতে শহীদ মিনারে শিক্ষকদের অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 108

শাহবাগ অবরোধ করতে শহীদ মিনারে শিক্ষকদের অবস্থান

বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির তৃতীয় দিন বুধবার (১৫ অক্টোবর)। আন্দোলনের অংশ হিসেবে দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষকরা।

সরাসরি সরেজমিনে দেখা গেছে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ শিক্ষকদের উপস্থিতিতে পূর্ণ। হাতে জাতীয় পতাকা ও দাবিদাওয়া লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা স্লোগান দিচ্ছেন। অনেক শিক্ষক সেখানে রাতযাপন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী শাহবাগ ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টায় শাহবাগ ব্লকেড পালিত হবে। সারাদেশের শিক্ষক–কর্মচারীরা দলে দলে যোগ দিন। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।”

এর আগে গত সোমবার শহীদ মিনার থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তারা জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন না জারির কারণে আন্দোলনের পরিধি ধীরে ধীরে বিস্তৃত করা হচ্ছে।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন। কিন্তু সরকার থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তারা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

রাজধানীর শহীদ মিনারে শতাধিক শিক্ষক এখনও অবস্থান করছেন। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করবেন না। সারাদেশের বিদ্যালয়গুলোতেও একই কর্মসূচি চলছে—শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ না করে আঙিনা বা শিক্ষক লাউঞ্জে অবস্থান করছেন।

এর আগে রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকেই শিক্ষকরা সারাদেশে পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে রয়েছেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন এবং শিক্ষা জাতীয়করণের রূপরেখা না দেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শাহবাগ অবরোধ করতে শহীদ মিনারে শিক্ষকদের অবস্থান

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির তৃতীয় দিন বুধবার (১৫ অক্টোবর)। আন্দোলনের অংশ হিসেবে দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষকরা।

সরাসরি সরেজমিনে দেখা গেছে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ শিক্ষকদের উপস্থিতিতে পূর্ণ। হাতে জাতীয় পতাকা ও দাবিদাওয়া লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা স্লোগান দিচ্ছেন। অনেক শিক্ষক সেখানে রাতযাপন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী শাহবাগ ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টায় শাহবাগ ব্লকেড পালিত হবে। সারাদেশের শিক্ষক–কর্মচারীরা দলে দলে যোগ দিন। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।”

এর আগে গত সোমবার শহীদ মিনার থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তারা জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন না জারির কারণে আন্দোলনের পরিধি ধীরে ধীরে বিস্তৃত করা হচ্ছে।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন। কিন্তু সরকার থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তারা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

রাজধানীর শহীদ মিনারে শতাধিক শিক্ষক এখনও অবস্থান করছেন। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করবেন না। সারাদেশের বিদ্যালয়গুলোতেও একই কর্মসূচি চলছে—শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ না করে আঙিনা বা শিক্ষক লাউঞ্জে অবস্থান করছেন।

এর আগে রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকেই শিক্ষকরা সারাদেশে পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে রয়েছেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন এবং শিক্ষা জাতীয়করণের রূপরেখা না দেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।