ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ২৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবদেক, শাবিপ্রবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 94

ফাইল ছবি

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৫ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম। এরআগে, বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শাবিপ্রবির ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং করায় প্রক্টরিয়াল বডির তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে জড়িতদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দেওয়ার জন্য সুপারিশ দেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃত ২৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ১২ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ১৩ জন। এর মধ্যে মেসে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক নিপীড়নের অভিযোগে অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম মুনস্তাসিরকে আজীবন ও জুনাইদ মোস্তকিম অয়নকে ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

বাকি ১০ শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরা হলেন- প্রীতম সাহা, শরিফুজ্জামান খান আতিফ, সাবিত আবরার তাজিম, অনিক আহমেদ, সুয়েল রানা, মো. যুবায়ের হোসেন তালুকদার জিম, মো. নাঈম মিয়া, বিকাশ চন্দ্র ধর, মিঞা মো. সাইয়্যেদুল বাশার রিফাত ও রাজন সাহা সানি।

এদিকে গত বছরের ২৭ নভেম্বর শাবিপ্রবির শহীদ মিনারে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৫ ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে র‍্যাগ দেওয়ার দায়ে একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের পাঁচ সিনিয়র ছাত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে কাজী তাসমিয়া হক অরিশাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। বাকি চারজনের মধ্যে ফারজানা মেহেরুন নূহ্য, তাসমিয়াহ আলম মাইশা, লামিয়া ইসমাইল জুঁই ও শ্রাবণী দে প্রিয়াকে আবাসিক হল থেকে আজীবন জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদের মধ্যে কেউ আাবসিক হলে না থাকলে আগামীতে তাদের কোনো সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসঙ্গে তাদের ভবিষ্যতে র‍্যাগিংয়ের মতো কোনো কর্মকাণ্ড জড়িত না হওয়া জন্য প্রক্টরিয়াল বডির কাছে মুচলেকা দেওয়ার জন্য বলা হয়।

অপরদিকে গত বছরের ১৪ নভেম্বর শাবিপ্রবির প্রধান ফটক সংলগ্ন বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্টের পাশে একটি বাসায় একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ২০২২-২৩ শিক্ষবর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে র‌্যাগিং দেওয়ার অভিযোগ উঠে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ২৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৫ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম। এরআগে, বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শাবিপ্রবির ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং করায় প্রক্টরিয়াল বডির তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে জড়িতদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দেওয়ার জন্য সুপারিশ দেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃত ২৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ১২ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ১৩ জন। এর মধ্যে মেসে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক নিপীড়নের অভিযোগে অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম মুনস্তাসিরকে আজীবন ও জুনাইদ মোস্তকিম অয়নকে ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

বাকি ১০ শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরা হলেন- প্রীতম সাহা, শরিফুজ্জামান খান আতিফ, সাবিত আবরার তাজিম, অনিক আহমেদ, সুয়েল রানা, মো. যুবায়ের হোসেন তালুকদার জিম, মো. নাঈম মিয়া, বিকাশ চন্দ্র ধর, মিঞা মো. সাইয়্যেদুল বাশার রিফাত ও রাজন সাহা সানি।

এদিকে গত বছরের ২৭ নভেম্বর শাবিপ্রবির শহীদ মিনারে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৫ ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে র‍্যাগ দেওয়ার দায়ে একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের পাঁচ সিনিয়র ছাত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে কাজী তাসমিয়া হক অরিশাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। বাকি চারজনের মধ্যে ফারজানা মেহেরুন নূহ্য, তাসমিয়াহ আলম মাইশা, লামিয়া ইসমাইল জুঁই ও শ্রাবণী দে প্রিয়াকে আবাসিক হল থেকে আজীবন জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদের মধ্যে কেউ আাবসিক হলে না থাকলে আগামীতে তাদের কোনো সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একইসঙ্গে তাদের ভবিষ্যতে র‍্যাগিংয়ের মতো কোনো কর্মকাণ্ড জড়িত না হওয়া জন্য প্রক্টরিয়াল বডির কাছে মুচলেকা দেওয়ার জন্য বলা হয়।

অপরদিকে গত বছরের ১৪ নভেম্বর শাবিপ্রবির প্রধান ফটক সংলগ্ন বিসমিল্লাহ রেস্টুরেন্টের পাশে একটি বাসায় একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ২০২২-২৩ শিক্ষবর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে র‌্যাগিং দেওয়ার অভিযোগ উঠে।