ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘শাপলা চত্বরে শহীদদের নাম স্থায়ী অবকাঠামোতে লেখা হবে’

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 124

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। ফাইল ছবি

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামীর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের নাম সেখানকার স্থায়ী অবকাঠামোতে লিখে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি নানাভাবে এই উদ্যোগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করবে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০১৩ সালে যখন ৫ মে এই বর্বরতম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, তখন আমার বয়স ১৫ হবে। ক্লাস নাইনে পড়তাম সম্ভবত। সেই সময়কার স্মৃতি এখনও আমার মনে আছে।

তিনি বলেন, শহীদদের রক্ত বৃথা যায় না; শাপলা চত্বরের ৫ মে এবং ২৪ আগস্টের ঘটনা একই সুতোয় গাঁথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫৮ শহীদ পরিবারের হাতে চেক বিতরণ করা হয়।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা ডা. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী (সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লেখেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে শহীদ ৫৮ জন এবং ২০২১ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদ ১৯ জন- মোট ৭৭ জন শহীদ পরিবারের প্রত্যেককে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা করে, মোট ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘শাপলা চত্বরে শহীদদের নাম স্থায়ী অবকাঠামোতে লেখা হবে’

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামীর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের নাম সেখানকার স্থায়ী অবকাঠামোতে লিখে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি নানাভাবে এই উদ্যোগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করবে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০১৩ সালে যখন ৫ মে এই বর্বরতম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, তখন আমার বয়স ১৫ হবে। ক্লাস নাইনে পড়তাম সম্ভবত। সেই সময়কার স্মৃতি এখনও আমার মনে আছে।

তিনি বলেন, শহীদদের রক্ত বৃথা যায় না; শাপলা চত্বরের ৫ মে এবং ২৪ আগস্টের ঘটনা একই সুতোয় গাঁথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫৮ শহীদ পরিবারের হাতে চেক বিতরণ করা হয়।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা ডা. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী (সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ)। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লেখেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে শহীদ ৫৮ জন এবং ২০২১ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদ ১৯ জন- মোট ৭৭ জন শহীদ পরিবারের প্রত্যেককে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা করে, মোট ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।