লেমুর চুরির ঘটনায় মুখ খুললেন রিজওয়ানা
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
- / 96
গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক থেকে লেমুর চুরির ঘটনায় মুখ খুলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান । আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে সাফারি পার্ক পরিদর্শনকালে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, সাফারি পার্ক থেকে দুর্লভ প্রাণী কীভাবে চুরি হলো, তা খুঁজে বের করতে হবে। যারা দায়িত্বে আছেন, বিশেষ করে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা— তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার। এ ঘটনার জন্য দায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। শুধুমাত্র চাকরিচ্যুতি নয়, এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের গাফিলতি করার সাহস না পায়।
তিনি আরো বলেন, একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে, অথচ এখনো এসব জায়গা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়নি— এটা প্রশ্ন তোলে।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, যখন ঘটনার ১৪ দিন পর মামলা করা হয়, তখন চুরি যাওয়া প্রাণী ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। আজ পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাংলাদেশকে বন্য প্রাণী পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সাফারি পার্ক কোনো সাধারণ চিড়িয়াখানা নয়। এখানে প্রাণীগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশের কাছাকাছি রেখে দর্শনার্থীদের তা উপভোগ করার সুযোগ দেয়া হয়। তবে হাতিশালা, জাগুয়ার ও লেমুর বেষ্টনীতে সেই উপযুক্ত পরিবেশ নেই।
তিনি উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, একই জায়গা থেকে টিয়া, ময়না পাখি হারায় না। কিন্তু লেমুর হারিয়ে যাচ্ছে—এর মানে স্পষ্ট, এখানে একটি বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। সেটি চিহ্নিত করতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, পার্কের ব্যবস্থাপনা আরো উন্নত করতে হবে। এটি প্রাণী ও দর্শনার্থীবান্ধব করতে হবে। এখানকার কর্তৃপক্ষের স্বদিচ্ছার ঘাটতির পাশাপাশি জনবল সংকটও রয়েছে।
এ সময় আরো ছিলেন বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, সেন্ট্রাল সার্কেলের বন সংরক্ষক এ এস এম জহির উদ্দিন আকন ও সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা।































