লালনের মৃত্যুদিন এখন জাতীয় দিবস
- সর্বশেষ আপডেট ০১:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / 100
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার লালন ফকিরের প্রয়াণ দিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ তথ্য বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক ও মুহাম্মদ ইউনূসের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
ফারুকী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক আধিপত্যের কারণে লালনের গানকে উচ্চমার্গের শিল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। তিনি উদাহরণ হিসেবে প্রয়াত সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ ও গায়ক আইয়ুব বাচ্চুর অবহেলিত অবস্থার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।
তিনি লিখেছেন, “লালনকে উদ্যাপন করার মাধ্যমে আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের পাশাপাশি পরিচিত ধারার বাইরে তাকাতে শুরু করেছি। এটি কেবল শুরু।” ফারুকী আরও বলেন, নতুন সরকারের দায়িত্ব হলো দেশের জনগণের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মানের সংস্কৃতিকে সমর্থন ও উদ্যাপন করা, যা জাতিকে আত্মবিশ্বাসী ও মর্যাদাশীল করে তুলবে।
এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে মৌলবাদী সংগঠনের বাধার কারণে টাঙ্গাইলে লালন স্মরণোৎসব বন্ধ হয়েছিল। তারা দাবি করেছিল, লালনের গান তাদের মতাদর্শের বিরোধী। এই ঘটনার বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি নিন্দা জানানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, লালন ফকির ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার আখড়ায় প্রয়াত হন। এবার সেই দিবসই জাতীয়ভাবে উদ্যাপিত হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার
































