ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বন কর্মকর্তার বদলির দাবি

লামায় জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধে ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, লামা (বান্দারবান)
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 136

লামা বন বিভাগ

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার জোত মালিক ও কাঠ কেন্দ্রিক শ্রমিকরা লামা বন বিভাগের অদক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করছেন, “লামা থেকে বিভাগীয় বন কার্যালয় সরানো হোক” বা “অদক্ষ বন কর্মকর্তাকে বদল করা হোক” এবং “জোতের বৈধ কার্যক্রম পুনরায় চালু হোক।”

স্থানীয়রা জানান, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জোত মালিক ও শ্রমিকরা এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন। অভিযোগ, লামা বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা নিজের চাকরি রক্ষার জন্য জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধ রেখেছেন। এর ফলে তিন উপজেলায় জোতের কাঠ বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং সরকারের ট্রানজিট আইন অমান্য হচ্ছে।

জোত মালিকরা জানাচ্ছেন, বন বিভাগের এই অবস্থার কারণে তারা দৈনন্দিন জীবিকার জন্য সমস্যায় পড়েছেন এবং লাখ লাখ টাকার লোকসানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা প্রধান বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক বন সংরক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাননি। অন্য বন বিভাগের তুলনায় লামা বন বিভাগে বিগত ৫ মাস ধরে জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, লামা বন বিভাগের বর্তমান ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমান যোগদানের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। জোত মালিকরা আশঙ্কা করছেন, কোনো সময় অদক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণরোষ দেখা দিতে পারে। আন্দোলনের সম্ভাব্য স্লোগান হতে পারে: “লামা থেকে বিভাগীয় বন কার্যালয় সরানো হোক বা অদক্ষ নির্লিপ্ত বন কর্মকর্তাকে বদল করা হোক।”

বিষয়টি নিয়ে লামা বন বিভাগের একাধিকবার ফোন করা হলেও কর্মকর্তা কল রিসিভ করেননি। জোত মালিক ও শ্রমিকরা বন বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসকসহ নীতি নির্ধারক মহলের হস্তক্ষেপেরও দাবি করেছেন।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন কর্মকর্তার বদলির দাবি

লামায় জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধে ক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার জোত মালিক ও কাঠ কেন্দ্রিক শ্রমিকরা লামা বন বিভাগের অদক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করছেন, “লামা থেকে বিভাগীয় বন কার্যালয় সরানো হোক” বা “অদক্ষ বন কর্মকর্তাকে বদল করা হোক” এবং “জোতের বৈধ কার্যক্রম পুনরায় চালু হোক।”

স্থানীয়রা জানান, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জোত মালিক ও শ্রমিকরা এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন। অভিযোগ, লামা বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা নিজের চাকরি রক্ষার জন্য জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধ রেখেছেন। এর ফলে তিন উপজেলায় জোতের কাঠ বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং সরকারের ট্রানজিট আইন অমান্য হচ্ছে।

জোত মালিকরা জানাচ্ছেন, বন বিভাগের এই অবস্থার কারণে তারা দৈনন্দিন জীবিকার জন্য সমস্যায় পড়েছেন এবং লাখ লাখ টাকার লোকসানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা প্রধান বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক বন সংরক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাননি। অন্য বন বিভাগের তুলনায় লামা বন বিভাগে বিগত ৫ মাস ধরে জোতের কাঠ পরিবহন বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, লামা বন বিভাগের বর্তমান ডিএফও মোস্তাফিজুর রহমান যোগদানের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। জোত মালিকরা আশঙ্কা করছেন, কোনো সময় অদক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণরোষ দেখা দিতে পারে। আন্দোলনের সম্ভাব্য স্লোগান হতে পারে: “লামা থেকে বিভাগীয় বন কার্যালয় সরানো হোক বা অদক্ষ নির্লিপ্ত বন কর্মকর্তাকে বদল করা হোক।”

বিষয়টি নিয়ে লামা বন বিভাগের একাধিকবার ফোন করা হলেও কর্মকর্তা কল রিসিভ করেননি। জোত মালিক ও শ্রমিকরা বন বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসকসহ নীতি নির্ধারক মহলের হস্তক্ষেপেরও দাবি করেছেন।