ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে সিএনজি পাম্পে বিস্ফোরণ; নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
  • / 411

গ্রিন লিফ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রিন লিফ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এক বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং কমপক্ষে ১৪জন আহত হয়েছেন। ওই পাম্পে মেঘনা ক্লাসিক নামে একটি বাস এ সময় গ্যাস রিফিল করছিলো। এতে ঘটনাস্থলেই তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মো. হৃদয় (১৯), মো. ইউসুফ (৩২) ও সুজন (২৫)।

হৃদয় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় মোটর মেকানিক। ইউসুফ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাঞ্চানগর গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে ও সুজন সদর উপজেলার চরমনসা গ্রামের বটু মিয়ার ছেলে।

আহত ১৪ জনের কারও নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে কারও হাত, কারও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল আবেদীন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিন জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর হসপিটালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল হোসেন জানান, ১৪ জন আহত হয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের লক্ষ্মীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লক্ষ্মীপুরে সিএনজি পাম্পে বিস্ফোরণ; নিহত ৩

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রিন লিফ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এক বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং কমপক্ষে ১৪জন আহত হয়েছেন। ওই পাম্পে মেঘনা ক্লাসিক নামে একটি বাস এ সময় গ্যাস রিফিল করছিলো। এতে ঘটনাস্থলেই তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মো. হৃদয় (১৯), মো. ইউসুফ (৩২) ও সুজন (২৫)।

হৃদয় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় মোটর মেকানিক। ইউসুফ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাঞ্চানগর গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে ও সুজন সদর উপজেলার চরমনসা গ্রামের বটু মিয়ার ছেলে।

আহত ১৪ জনের কারও নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে কারও হাত, কারও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল আবেদীন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিন জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর হসপিটালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জয়নাল হোসেন জানান, ১৪ জন আহত হয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের লক্ষ্মীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।