ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জাতিসংঘে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 170

জাতিসংঘে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রোহিঙ্গা সংকট যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তাহলে এটি শুধু মানবিক ইস্যু নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় তিনি বলেন, বিগত আট বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এই দীর্ঘসূত্রিতার ফলে সমস্যাটি এখন অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নিরাপত্তাজনিত ইস্যুতে রূপ নিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে ও পূর্ণ অধিকারসহ প্রত্যাবাসনের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, তরুণরা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে তা চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে তা সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার জন্ম দেয়।

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অসমতার প্রেক্ষাপটে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘তিন শূন্য নীতি’—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ—এর কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে শান্তি ও উন্নয়ন প্রচেষ্টাগুলোকে একত্র করতে হবে। এজন্য নিরাপত্তা পরিষদ, ইকোসক ও পিসবিল্ডিং কমিশনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি, যাতে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সামাজিক ব্যবসার গুরুত্বও তুলে ধরেন, যা দারিদ্র্য ও সংঘাত রোধে একটি কার্যকর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন সুইডেন, উরুগুয়ে, পূর্ব তিমুর, জার্মানি ও অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতিসংঘে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

রোহিঙ্গা সংকট যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তাহলে এটি শুধু মানবিক ইস্যু নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় তিনি বলেন, বিগত আট বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এই দীর্ঘসূত্রিতার ফলে সমস্যাটি এখন অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নিরাপত্তাজনিত ইস্যুতে রূপ নিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে ও পূর্ণ অধিকারসহ প্রত্যাবাসনের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, তরুণরা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে তা চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে তা সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার জন্ম দেয়।

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অসমতার প্রেক্ষাপটে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘তিন শূন্য নীতি’—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ—এর কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে শান্তি ও উন্নয়ন প্রচেষ্টাগুলোকে একত্র করতে হবে। এজন্য নিরাপত্তা পরিষদ, ইকোসক ও পিসবিল্ডিং কমিশনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি, যাতে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সামাজিক ব্যবসার গুরুত্বও তুলে ধরেন, যা দারিদ্র্য ও সংঘাত রোধে একটি কার্যকর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন সুইডেন, উরুগুয়ে, পূর্ব তিমুর, জার্মানি ও অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।