ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানে ভোজ্যতেলের সংকট রোধে আমদানি সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 28

সয়াবিন তেল

পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সরকার আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করবে। প্রতি লিটার তেলের দাম ধরা হয়েছে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা, যা কিনতে ব্যয় হবে মোট ৩৫৭ কোটি ৬২ হাজার ১০০ টাকা।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই তেল কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এই আমদানি পদ্ধতির মাধ্যমে রমজান মাসে বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা হবে। তেলটি কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড (উৎস: ব্রাজিল) থেকে আনা হবে। দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা। টিসিবির গুদামে পৌঁছানো পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ প্রতি লিটার মূল্য হবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই তেল খোলাবাজারে সরকারনির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করা হবে। ফলে সরকারের কোনো ভর্তুকি প্রয়োজন হবে না।

এর আগে, ৬ জানুয়ারি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি থাইল্যান্ডের প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানি করার অনুমোদন দিয়েছিল। সেই আমদানিতে খরচ ধরা হয়েছিল ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকা, যেখানে প্রতি লিটার মূল্য ছিল ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা।

বাজেট ও বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে রমজান মাসে ভোজ্যতেলের ক্রেতারা যথাযথ মূল্যে সহজে পণ্য পেতে পারেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রমজানে ভোজ্যতেলের সংকট রোধে আমদানি সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সরকার আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করবে। প্রতি লিটার তেলের দাম ধরা হয়েছে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা, যা কিনতে ব্যয় হবে মোট ৩৫৭ কোটি ৬২ হাজার ১০০ টাকা।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই তেল কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এই আমদানি পদ্ধতির মাধ্যমে রমজান মাসে বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা হবে। তেলটি কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড (উৎস: ব্রাজিল) থেকে আনা হবে। দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা। টিসিবির গুদামে পৌঁছানো পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ প্রতি লিটার মূল্য হবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই তেল খোলাবাজারে সরকারনির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করা হবে। ফলে সরকারের কোনো ভর্তুকি প্রয়োজন হবে না।

এর আগে, ৬ জানুয়ারি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি থাইল্যান্ডের প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানি করার অনুমোদন দিয়েছিল। সেই আমদানিতে খরচ ধরা হয়েছিল ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকা, যেখানে প্রতি লিটার মূল্য ছিল ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা।

বাজেট ও বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে রমজান মাসে ভোজ্যতেলের ক্রেতারা যথাযথ মূল্যে সহজে পণ্য পেতে পারেন।