ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

রুমায় অভিযান পর্যটন শিল্পে কোনো প্রভাব পড়বে না

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 322

বান্দরবানের রুমার দুর্গম নাইতং পাহাড় এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বা কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) গোলাগুলিতে সংগঠনটির এক কমান্ডারসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয় এবং উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ভোর ছয়টার দিকে রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের পলি প্রাংসা ও মুয়ালপি পাড়ার মাঝামাঝি ১৬ কিলোমিটার দূরের তাইদং ঝিড়ি এলাকার নাইতং পাহাড়ের ওপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আগের রাতেই ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কেএনএফ-এর একটি আস্তানায় অভিযান শুরু করেন। ভোরে গহীন বনে চারদিক থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধে দুইজন কেএনএ সদস্য নিহত হন, যাদের একজন ছিলেন সংগঠনটির কমান্ডার।

পরে ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী ৩টি এসএমজি, ১টি রাইফেল, ৮টি ম্যাগাজিন, বিপুল পরিমাণ গুলি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে। অভিযানে অংশ নেয় সেনাবাহিনীর ১৬, ৩৬ ও ৩৭ বীর বেঙ্গলের যৌথ দল।

রুমা জোন সদর দপ্তরের মাল্টিপারপাস শেডে সন্ধ্যায় উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এরপর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রুমা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল আলমগীর হোসেন বলেন, “এই অভিযান শুধু পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “কেএনএফ-এর অবস্থান পর্যটন এলাকা থেকে অনেক দূরে, তাই পর্যটন শিল্পে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

রুমায় অভিযান পর্যটন শিল্পে কোনো প্রভাব পড়বে না

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

বান্দরবানের রুমার দুর্গম নাইতং পাহাড় এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বা কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) গোলাগুলিতে সংগঠনটির এক কমান্ডারসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয় এবং উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ভোর ছয়টার দিকে রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের পলি প্রাংসা ও মুয়ালপি পাড়ার মাঝামাঝি ১৬ কিলোমিটার দূরের তাইদং ঝিড়ি এলাকার নাইতং পাহাড়ের ওপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আগের রাতেই ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কেএনএফ-এর একটি আস্তানায় অভিযান শুরু করেন। ভোরে গহীন বনে চারদিক থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধে দুইজন কেএনএ সদস্য নিহত হন, যাদের একজন ছিলেন সংগঠনটির কমান্ডার।

পরে ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী ৩টি এসএমজি, ১টি রাইফেল, ৮টি ম্যাগাজিন, বিপুল পরিমাণ গুলি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে। অভিযানে অংশ নেয় সেনাবাহিনীর ১৬, ৩৬ ও ৩৭ বীর বেঙ্গলের যৌথ দল।

রুমা জোন সদর দপ্তরের মাল্টিপারপাস শেডে সন্ধ্যায় উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এরপর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রুমা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল আলমগীর হোসেন বলেন, “এই অভিযান শুধু পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “কেএনএফ-এর অবস্থান পর্যটন এলাকা থেকে অনেক দূরে, তাই পর্যটন শিল্পে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।”