ঢাকা ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ চুরির ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 102

বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে রাখা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০১৬ সালে রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি হওয়ার পর ফিলিপাইনের মাকাতি সিটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি)-এর মাধ্যমে সেই অর্থ পাচার করা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অবশেষে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত হলো।

সিআইডি জানায়, বাজেয়াপ্ত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেয় আন্তর্জাতিক হ্যাকার চক্র। পরে সেই অর্থ ফিলিপাইনে পাচার হয়। ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরের কিছু দুর্নীতিবাজ চক্রও এই ঘটনায় জড়িত ছিল।

ঘটনার পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রিজার্ভ চুরির ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে রাখা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০১৬ সালে রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি হওয়ার পর ফিলিপাইনের মাকাতি সিটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি)-এর মাধ্যমে সেই অর্থ পাচার করা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অবশেষে ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত হলো।

সিআইডি জানায়, বাজেয়াপ্ত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেয় আন্তর্জাতিক হ্যাকার চক্র। পরে সেই অর্থ ফিলিপাইনে পাচার হয়। ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরের কিছু দুর্নীতিবাজ চক্রও এই ঘটনায় জড়িত ছিল।

ঘটনার পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।