ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম রিভিউ: রায় ৬ আগস্ট

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • / 178

সুপ্রিম কোর্ট

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে রিভিউয়ের রায়ের জন্য ৬ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকালে একই বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো রায়ের রিভিউ শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম ঠিক করে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। রায়ে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদধারীদের পদক্রম ওপরে রাখা এবং অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স বিষয়ে আপিল বিভাগের প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়টি লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন, বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (সাবেক প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা (সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী (সাবেক প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী (আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি)।

আপিল বিভাগের রায়ের পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতির পদক্রম এক ধাপ উন্নীত করে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমান এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (স্বাধীনতা পদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা) পদক্রমে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

৬২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের শেষাংশে বলা হয়, সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। তাই রাষ্ট্রীয় পদক্রমের শুরুতেই সাংবিধানিক পদধারীদের গুরুত্ব অনুসারে রাখতে হবে। জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যরা রাষ্ট্রীয় পদক্রমে ২৪ নম্বর থেকে ১৬ নম্বরে, অর্থাৎ সরকারের সচিবদের সমপদে উন্নীত হবেন। অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের অবস্থান হবে ১৭ নম্বরে।

এর আগে অতিরিক্ত জেলা জজদের অবস্থান রাষ্ট্রীয় পদক্রমে উল্লেখ ছিল না। ১৯৮৬ সালের পদক্রমে জেলা ও দায়রা জজদের ২৪ নম্বরে রাখা হয়। কিন্তু সমমর্যাদা বিবেচনায় দেখা যায়, কমান্ড্যান্ট, মেরিন একাডেমি, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি, এমনকি বিএসটিআইয়ের পরিচালকের পরেই অবস্থান ছিল জেলা ও দায়রা জজদের। রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পদক্রম শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। নীতিনির্ধারণী বা অন্য কোনো কার্যক্রমে এর প্রয়োগ করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয় এবং বিভিন্ন সময়ে তা সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ সংশোধন হয়েছিল ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে।

সংশোধিত এই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদ ও সংবিধানে স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত পদগুলোকে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচে রাখা হয়েছে বলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৬ সালে রিটটি দায়ের করেন।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (সংশোধিত) অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত বিশেষ কৌঁসুলি আবদুর রব চৌধুরী শুনানি করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে পদক্রমে প্রধান বিচারপতির অবস্থান স্পিকারের সঙ্গে ৪ নম্বরে ছিল। সে সময় উপরাষ্ট্রপতি ২ নম্বরে ছিলেন। কিন্তু উপরাষ্ট্রপতি পদটি বিলুপ্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ৩ নম্বর থেকে ২ নম্বরে উন্নীত হন। রাষ্ট্রপতি ১ নম্বরে আছেন। কিন্তু পরে প্রধান বিচারপতিকে ৪ নম্বরে নামিয়ে দেওয়া হয়, যা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই প্রধান বিচারপতিকে স্পিকারের সঙ্গে ৩ নম্বরে রাখতে হবে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা এক ধাপ ওপরে তালিকার ৭ নম্বরে আসবেন। তারা বর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে ৮ নম্বরে আছেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন ৮ নম্বরে। এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতিরা নির্বাচন কমিশনার ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ৯ নম্বরে ছিলেন।

এছাড়া পর্যবেক্ষণে সংসদ সদস্য এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে তিন ধাপ ওপরে ১২ নম্বরে এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানকে এক ধাপ ওপরে ১৫ নম্বরে রাখতে বলা হয়েছে। পদক্রম অনুযায়ী এখন ১৫ নম্বরে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক অ্যাটর্নি জেনারেলের সমান মর্যাদায় আছেন এবং পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে ১৬ নম্বরে পিএসসির চেয়ারম্যান অবস্থান করছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, সরকার এসব নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম রিভিউ: রায় ৬ আগস্ট

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে রিভিউয়ের রায়ের জন্য ৬ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকালে একই বেঞ্চে দ্বিতীয় দিনের মতো রায়ের রিভিউ শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম ঠিক করে রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। রায়ে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদধারীদের পদক্রম ওপরে রাখা এবং অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স বিষয়ে আপিল বিভাগের প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়টি লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন, বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (সাবেক প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা (সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী (সাবেক প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী (আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি)।

আপিল বিভাগের রায়ের পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতির পদক্রম এক ধাপ উন্নীত করে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমান এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (স্বাধীনতা পদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা) পদক্রমে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

৬২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের শেষাংশে বলা হয়, সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। তাই রাষ্ট্রীয় পদক্রমের শুরুতেই সাংবিধানিক পদধারীদের গুরুত্ব অনুসারে রাখতে হবে। জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যরা রাষ্ট্রীয় পদক্রমে ২৪ নম্বর থেকে ১৬ নম্বরে, অর্থাৎ সরকারের সচিবদের সমপদে উন্নীত হবেন। অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের অবস্থান হবে ১৭ নম্বরে।

এর আগে অতিরিক্ত জেলা জজদের অবস্থান রাষ্ট্রীয় পদক্রমে উল্লেখ ছিল না। ১৯৮৬ সালের পদক্রমে জেলা ও দায়রা জজদের ২৪ নম্বরে রাখা হয়। কিন্তু সমমর্যাদা বিবেচনায় দেখা যায়, কমান্ড্যান্ট, মেরিন একাডেমি, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি, এমনকি বিএসটিআইয়ের পরিচালকের পরেই অবস্থান ছিল জেলা ও দায়রা জজদের। রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পদক্রম শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। নীতিনির্ধারণী বা অন্য কোনো কার্যক্রমে এর প্রয়োগ করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয় এবং বিভিন্ন সময়ে তা সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ সংশোধন হয়েছিল ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে।

সংশোধিত এই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদ ও সংবিধানে স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত পদগুলোকে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচে রাখা হয়েছে বলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৬ সালে রিটটি দায়ের করেন।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (সংশোধিত) অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত বিশেষ কৌঁসুলি আবদুর রব চৌধুরী শুনানি করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে পদক্রমে প্রধান বিচারপতির অবস্থান স্পিকারের সঙ্গে ৪ নম্বরে ছিল। সে সময় উপরাষ্ট্রপতি ২ নম্বরে ছিলেন। কিন্তু উপরাষ্ট্রপতি পদটি বিলুপ্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ৩ নম্বর থেকে ২ নম্বরে উন্নীত হন। রাষ্ট্রপতি ১ নম্বরে আছেন। কিন্তু পরে প্রধান বিচারপতিকে ৪ নম্বরে নামিয়ে দেওয়া হয়, যা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই প্রধান বিচারপতিকে স্পিকারের সঙ্গে ৩ নম্বরে রাখতে হবে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা এক ধাপ ওপরে তালিকার ৭ নম্বরে আসবেন। তারা বর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে ৮ নম্বরে আছেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন ৮ নম্বরে। এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতিরা নির্বাচন কমিশনার ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ৯ নম্বরে ছিলেন।

এছাড়া পর্যবেক্ষণে সংসদ সদস্য এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে তিন ধাপ ওপরে ১২ নম্বরে এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানকে এক ধাপ ওপরে ১৫ নম্বরে রাখতে বলা হয়েছে। পদক্রম অনুযায়ী এখন ১৫ নম্বরে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক অ্যাটর্নি জেনারেলের সমান মর্যাদায় আছেন এবং পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে ১৬ নম্বরে পিএসসির চেয়ারম্যান অবস্থান করছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, সরকার এসব নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।