ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়পুরায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রায়পুরা (নরসিংদী)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 113

রায়পুরায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের চরমরজাল গ্রামে সামসুল ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে গ্রামবাসী।

বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে পল্লী চিকিৎসক এনামুল হক মামুনের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী ও গ্রামবাসীরা সামসুলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরমরজাল গ্রামটি একসময় শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু প্রায় ছয় থেকে সাত বছর আগে অন্য গ্রামের বাসিন্দা সামসুলকে শাহাজান মিয়ার বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্বে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা এবং পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। এতে কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং গ্রামের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে।

রায়পুরা থানা সূত্রে জানা যায়, সামসুল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বলেও জানায় থানা কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে এনামুল হক মামুন বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। প্রশাসনের কাছে দাবি—সামসুল ও তার পরিবারকে আইনের আওতায় এনে গ্রামে শান্তি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।”

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আলকাছ মিয়া বলেন, “আমরা চাই অভিযুক্তদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করা হোক এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”

সম্মেলনে উপস্থিত গ্রামবাসীরা এককভাবে দাবি জানান, সামসুল ও তার পরিবারের অব্যাহত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে গ্রামকে মুক্ত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রায়পুরায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সর্বশেষ আপডেট ১০:২০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের চরমরজাল গ্রামে সামসুল ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে গ্রামবাসী।

বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে পল্লী চিকিৎসক এনামুল হক মামুনের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী ও গ্রামবাসীরা সামসুলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরমরজাল গ্রামটি একসময় শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু প্রায় ছয় থেকে সাত বছর আগে অন্য গ্রামের বাসিন্দা সামসুলকে শাহাজান মিয়ার বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্বে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা এবং পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। এতে কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং গ্রামের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে।

রায়পুরা থানা সূত্রে জানা যায়, সামসুল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বলেও জানায় থানা কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে এনামুল হক মামুন বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি। প্রশাসনের কাছে দাবি—সামসুল ও তার পরিবারকে আইনের আওতায় এনে গ্রামে শান্তি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।”

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আলকাছ মিয়া বলেন, “আমরা চাই অভিযুক্তদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করা হোক এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”

সম্মেলনে উপস্থিত গ্রামবাসীরা এককভাবে দাবি জানান, সামসুল ও তার পরিবারের অব্যাহত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে গ্রামকে মুক্ত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।