ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়পুরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শিশু ও মাদ্রাসাছাত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক, রায়পুরা
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫
  • / 585

রায়পুরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শিশু ও মাদ্রাসাছাত্র

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে এক শিশু ও মাদ্রাসাছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সোমবার (৯ জুন) সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষ হয় ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেল ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সোহেল গ্রুপের মধ্যে। ঈদের ছুটিতে রাসেল চেয়ারম্যানের বাড়িতে সমর্থকরা জড়ো হলে প্রতিপক্ষ সোহেল গ্রুপও সংঘবদ্ধ হয়ে হামলার চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়, শুরু হয় গোলাগুলি।

সোহেল গ্রুপের ছোড়া গুলিতে এক ৮ বছর বয়সী শিশু ও ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে একই বিরোধের জেরে রাসেল চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলায় তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নিহত হয়েছিলেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিলই। এরই মধ্যে আজকের হামলায় পরিস্থিতি আরও সহিংস হয়ে ওঠে। সোহেল গ্রুপের সদস্যরা চেয়ারম্যান সমর্থকদের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটও চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

চেয়ারম্যান নিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেল অভিযোগ করেন, “সোহেল একাধিক হত্যা ও মাদকের মামলার পলাতক আসামি। তাঁর দলে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী রয়েছে। বারবার লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেই আজকের এই রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।”

এদিকে সংঘর্ষের পরপরই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রায়পুরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শিশু ও মাদ্রাসাছাত্র

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে এক শিশু ও মাদ্রাসাছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সোমবার (৯ জুন) সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষ হয় ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেল ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সোহেল গ্রুপের মধ্যে। ঈদের ছুটিতে রাসেল চেয়ারম্যানের বাড়িতে সমর্থকরা জড়ো হলে প্রতিপক্ষ সোহেল গ্রুপও সংঘবদ্ধ হয়ে হামলার চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়, শুরু হয় গোলাগুলি।

সোহেল গ্রুপের ছোড়া গুলিতে এক ৮ বছর বয়সী শিশু ও ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে একই বিরোধের জেরে রাসেল চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলায় তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নিহত হয়েছিলেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিলই। এরই মধ্যে আজকের হামলায় পরিস্থিতি আরও সহিংস হয়ে ওঠে। সোহেল গ্রুপের সদস্যরা চেয়ারম্যান সমর্থকদের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটও চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

চেয়ারম্যান নিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেল অভিযোগ করেন, “সোহেল একাধিক হত্যা ও মাদকের মামলার পলাতক আসামি। তাঁর দলে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী রয়েছে। বারবার লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেই আজকের এই রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।”

এদিকে সংঘর্ষের পরপরই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।