ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অধ্যাপক ড. সায়মা ফেরদৌস

রাতে মোবাইল বন্ধ রাখতে বাধ্য হই, প্রচুর নোংরা কল আসে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 185

অধ্যাপক ড. সায়মা ফেরদৌস

ব্যাশিং কালচারকে রাজনীতি ও সমাজে এই প্রজন্মের একটি ‘ব্যাড কালচার’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সায়মা ফেরদৌস বলেন, “তীর্যক মন্তব্যে একে অপরকে ঘায়েল করার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, এটি খারাপ। এটি অসভ্য মানুষের লক্ষণ। দুঃখজনক হলেও সত্য, সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী থেকে এই ব্যাশিং কালচার প্রমোট করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “কখনও কখনও মেনে নেওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়। যুক্তিতে হেরে যাওয়াটাও একটি গ্রোথ। আমার কাছে যুক্তি না থাকলে আমি পড়াশোনা করে এসে যুক্তি দেব। ‘হেরে কেউ যাবো না’—এই চিন্তা খুব খারাপ। আমরা যুক্তি-তর্ক করব, কিন্তু একে অপরকে সম্মান করব। সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে সম্মান বজায় থাকবে।”

নিজেকে একজন প্রতিবাদী মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সম্পূর্ণ বিপক্ষে। তবে তার মানে এই নয় যে, যে যা খুশি তা-ই বলে যাবে। আমি এখন রাতে মোবাইল বন্ধ রাখতে বাধ্য হই। রাত ১২টার পর শুরু হয় নোংরা কল, প্রাঙ্ক কল। শিক্ষক হিসেবে অর্জিত সম্মানটুকু নিয়েও হেনস্তা করা হচ্ছে।”

“কেউ যদি আওয়াজ তোলে এবং তার বিরুদ্ধে এই ধরনের হেনস্তার ঘটনা ঘটে, তাহলে রাষ্ট্রের ভূমিকা কী হবে?”—এমন প্রশ্ন নাগরিক সমাজের সামনে রাখেন অধ্যাপক সায়মা ফেরদৌস।

তিনি বলেন, “এখনও নারীদের রাজনীতিতে আসতে হলে গায়ের চামড়া মোটা করতে হয়। এটা কোনো সমাধান হতে পারে না। রাজনীতিতে অনেক প্রমিজিং মানুষ ছিলেন, কিন্তু তারা এখন ঝরে পড়েছেন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অধ্যাপক ড. সায়মা ফেরদৌস

রাতে মোবাইল বন্ধ রাখতে বাধ্য হই, প্রচুর নোংরা কল আসে

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ব্যাশিং কালচারকে রাজনীতি ও সমাজে এই প্রজন্মের একটি ‘ব্যাড কালচার’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সায়মা ফেরদৌস বলেন, “তীর্যক মন্তব্যে একে অপরকে ঘায়েল করার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, এটি খারাপ। এটি অসভ্য মানুষের লক্ষণ। দুঃখজনক হলেও সত্য, সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী থেকে এই ব্যাশিং কালচার প্রমোট করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “কখনও কখনও মেনে নেওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়। যুক্তিতে হেরে যাওয়াটাও একটি গ্রোথ। আমার কাছে যুক্তি না থাকলে আমি পড়াশোনা করে এসে যুক্তি দেব। ‘হেরে কেউ যাবো না’—এই চিন্তা খুব খারাপ। আমরা যুক্তি-তর্ক করব, কিন্তু একে অপরকে সম্মান করব। সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে সম্মান বজায় থাকবে।”

নিজেকে একজন প্রতিবাদী মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সম্পূর্ণ বিপক্ষে। তবে তার মানে এই নয় যে, যে যা খুশি তা-ই বলে যাবে। আমি এখন রাতে মোবাইল বন্ধ রাখতে বাধ্য হই। রাত ১২টার পর শুরু হয় নোংরা কল, প্রাঙ্ক কল। শিক্ষক হিসেবে অর্জিত সম্মানটুকু নিয়েও হেনস্তা করা হচ্ছে।”

“কেউ যদি আওয়াজ তোলে এবং তার বিরুদ্ধে এই ধরনের হেনস্তার ঘটনা ঘটে, তাহলে রাষ্ট্রের ভূমিকা কী হবে?”—এমন প্রশ্ন নাগরিক সমাজের সামনে রাখেন অধ্যাপক সায়মা ফেরদৌস।

তিনি বলেন, “এখনও নারীদের রাজনীতিতে আসতে হলে গায়ের চামড়া মোটা করতে হয়। এটা কোনো সমাধান হতে পারে না। রাজনীতিতে অনেক প্রমিজিং মানুষ ছিলেন, কিন্তু তারা এখন ঝরে পড়েছেন।”