ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাখাইনে আরাকান আর্মির হামলায় ৩০ জান্তা সৈন্য নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 70

রাখাইনে আরাকান আর্মির হামলায় ৩০ জান্তা সৈন্য নিহত

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির তীব্র আক্রমণে দেশটির জান্তা বাহিনীর প্রায় ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দি ইরাবতী। স্থানীয় সামরিক সূত্রের তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, কিয়াকফিউ টাউনশিপ এলাকায় গত শনিবার এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

থাইং চাউং তাউং সামরিক ঘাঁটি আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর জান্তা সেনারা ওই এলাকায় অগ্রসর হচ্ছিল। ঘাঁটিটির আশপাশেই চীনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে। সেনাদের অগ্রযাত্রা থামাতে আরাকান আর্মি মিনপিন গ্রামের পথে মাইন পেতে রাখে। সেনারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ভেবে সামনে এগোতেই সশস্ত্র সদস্যরা অতর্কিতে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বহু সেনা প্রাণ হারায় এবং আহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, জান্তা সৈন্যরা বিরতির সময় ছবি তুলছিলেন—এমন সময় হামলা শুরু হলে তারা প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগও পাননি। সংঘর্ষের পর মিনপিনসহ পাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা নিরাপত্তার খোঁজে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হন।

এ ছাড়া কিয়াকফিউ শহরে খাদ্য এবং ওষুধের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার ও জান্তা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। একই সঙ্গে আকাশ ও নৌবাহিনীর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বাস্তু মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাখাইনে আরাকান আর্মির হামলায় ৩০ জান্তা সৈন্য নিহত

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির তীব্র আক্রমণে দেশটির জান্তা বাহিনীর প্রায় ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দি ইরাবতী। স্থানীয় সামরিক সূত্রের তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, কিয়াকফিউ টাউনশিপ এলাকায় গত শনিবার এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

থাইং চাউং তাউং সামরিক ঘাঁটি আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর জান্তা সেনারা ওই এলাকায় অগ্রসর হচ্ছিল। ঘাঁটিটির আশপাশেই চীনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে। সেনাদের অগ্রযাত্রা থামাতে আরাকান আর্মি মিনপিন গ্রামের পথে মাইন পেতে রাখে। সেনারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ভেবে সামনে এগোতেই সশস্ত্র সদস্যরা অতর্কিতে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বহু সেনা প্রাণ হারায় এবং আহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, জান্তা সৈন্যরা বিরতির সময় ছবি তুলছিলেন—এমন সময় হামলা শুরু হলে তারা প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগও পাননি। সংঘর্ষের পর মিনপিনসহ পাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা নিরাপত্তার খোঁজে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হন।

এ ছাড়া কিয়াকফিউ শহরে খাদ্য এবং ওষুধের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার ও জান্তা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। একই সঙ্গে আকাশ ও নৌবাহিনীর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বাস্তু মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।