রাকসুতে ভিপি-এজিএস শিবিরের, জিএস সালাউদ্দিন
- সর্বশেষ আপডেট ১০:০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
- / 107
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে বেসরকারিভাবে সহসভাপতি (ভিপি) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর প্রার্থীরা। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের সালাউদ্দিন আম্মার।
শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সেতাউর রহমান এই প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেন। চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি।
ভিপি পদে ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর মোস্তাকুর রহমান (জাহিদ) পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের শেখ নূর উদ্দীন (আবীর) পান ৩ হাজার ৩৯৭ ভোট।
জিএস পদে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের সালাউদ্দিন আম্মার ১১ হাজার ৪৯৭ ভোটে জয়লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী, ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজা পান ৫ হাজার ৭২৭ ভোট। উভয়েই অতীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছেন।
এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর এস. এম. সালমান সাব্বির, যিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের জাহিন বিশ্বাস (এষা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫১ ভোট।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনজুড়ে কিছু অভিযোগ উঠলেও সামগ্রিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। ভোট গণনা শুরু হয় রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে, এবং রাত সাড়ে ১০টা থেকে নারী হলগুলোর ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশের কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের তিনটি পদ, হল সংসদের তিনটি পদ এবং সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের পাঁচটি পদের ফল ঘোষণা করা হয়েছে।
এবারের রাকসু নির্বাচনে মোট ২৩ পদে ১০টি প্যানেলের ২৪৭ জন প্রার্থী অংশ নেন। হল সংসদের ১৭টি হলে ১৫টি পদের জন্য ৫৯৭ জন এবং সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের পাঁচটি পদের জন্য ৫৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন এবং এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৯০১ জন—এর মধ্যে ১৭ হাজার ৫৯৬ জন ছাত্র এবং ১১ হাজার ৩০৫ জন ছাত্রী। মোট ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, যার মধ্যে নারী হলে ভোটের হার ছিল ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।




































