ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 82

রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে নিজ বাড়িতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। তারাগঞ্জ থানার এসআই ছাইয়ুম হোসেন রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবনা রায় রহিমাপুর চাকলা গ্রামে বসবাস করেন। ওই দম্পতির বড় ছেলে সুবেন চন্দ্র রায় পুলিশের এএসআই হিসেবে জয়পুরহাটে ও ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত আছেন।

মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির বাড়ির কাজের লোক দিপক রায় জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে কাজ করছেন। প্রতিদিনের মতো আজ রোববার সকালে বাড়ির গেটের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন তিনি। তবে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দাসহ মই দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে স্বামী-স্ত্রী দুজনের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে নিজ বাড়িতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। তারাগঞ্জ থানার এসআই ছাইয়ুম হোসেন রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবনা রায় রহিমাপুর চাকলা গ্রামে বসবাস করেন। ওই দম্পতির বড় ছেলে সুবেন চন্দ্র রায় পুলিশের এএসআই হিসেবে জয়পুরহাটে ও ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত আছেন।

মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির বাড়ির কাজের লোক দিপক রায় জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে কাজ করছেন। প্রতিদিনের মতো আজ রোববার সকালে বাড়ির গেটের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন তিনি। তবে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দাসহ মই দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে স্বামী-স্ত্রী দুজনের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেন।