ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে কারণে হাদির ভাই থানায় জিডি করেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 11

ঢাকার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদি।

শনিবার রাত ৮টার দিকে তিনি থানায় গিয়ে নিজের এবং শহীদ হাদির সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে জিডিতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, ওমর নিজেকে এবং হাদির সন্তানকে সম্ভাব্য হুমকি থেকে নিরাপত্তাহীন বোধ করছেন। এই কারণেই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।

গত ১৫ জানুয়ারি সরকার তাকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশ সচরাচর হাই কমিশনে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি থানায় গিয়েছেন।

জিডিতে ওমর লিখেছেন, শহীদ হাদির হত্যার পর থেকে তার এবং হাদির সন্তানের জীবন বিপদে রয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, হাদির হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হলে যেকোনো সময় নতুন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

ওমর বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি ও শহীদ হাদির সন্তান নিরাপত্তাহীনতার শিকার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগ করতে গেলে বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা এক আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়। ১৮ ডিসেম্বর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে হাদির ভাই থানায় জিডি করেছেন

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদি।

শনিবার রাত ৮টার দিকে তিনি থানায় গিয়ে নিজের এবং শহীদ হাদির সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে জিডিতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, ওমর নিজেকে এবং হাদির সন্তানকে সম্ভাব্য হুমকি থেকে নিরাপত্তাহীন বোধ করছেন। এই কারণেই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।

গত ১৫ জানুয়ারি সরকার তাকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশ সচরাচর হাই কমিশনে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি থানায় গিয়েছেন।

জিডিতে ওমর লিখেছেন, শহীদ হাদির হত্যার পর থেকে তার এবং হাদির সন্তানের জীবন বিপদে রয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, হাদির হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হলে যেকোনো সময় নতুন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

ওমর বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি ও শহীদ হাদির সন্তান নিরাপত্তাহীনতার শিকার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগ করতে গেলে বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা এক আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়। ১৮ ডিসেম্বর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।