ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক থেকে গোলাবর্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 123

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) তারা ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান থেকে গুলিবর্ষণ করেছে।

ফিলিস্তিনের ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গাজা শহরের পূর্বে, খান ইউনিসের পূর্বে, বানি সুহাইলা শহর এবং শেখ নাসের পাড়ায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে দখলদার সামরিক ট্যাঙ্কগুলো কামানের গোলাবর্ষণ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সবশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ জন।

ওয়াফা নিউজ এজেন্সি আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৪ জন ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ২৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছেন।

হাজার হাজার ভুক্তভোগী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে অ্যাম্বুলেন্স এবং সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক থেকে গোলাবর্ষণ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) তারা ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান থেকে গুলিবর্ষণ করেছে।

ফিলিস্তিনের ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গাজা শহরের পূর্বে, খান ইউনিসের পূর্বে, বানি সুহাইলা শহর এবং শেখ নাসের পাড়ায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে দখলদার সামরিক ট্যাঙ্কগুলো কামানের গোলাবর্ষণ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সবশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ জন।

ওয়াফা নিউজ এজেন্সি আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৪ জন ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ২৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছেন।

হাজার হাজার ভুক্তভোগী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে অ্যাম্বুলেন্স এবং সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।